ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যা ধর্মীয় কর্তব্য

ইরানের শীর্ষ আলেমদের বিস্ফোরক ঘোষণা

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যা ধর্মীয় কর্তব্য

ফন্ট সাইজ:

ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় আলেমরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা এই দুই নেতাকে “মাহদুর আল-দাম” অর্থাৎ এমন ব্যক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন, যাদের হত্যা ধর্মীয়ভাবে বৈধ বা ন্যায্য বলে তারা দাবি করছেন। খবর নিউ ইয়র্ক পোস্টের।

এনিয়ে ইরানের ৮৮ সদস্যের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস ১০ দফা বিবৃতিতে বলেছে, জায়নবাদী শাসনের দুষ্ট প্রধানমন্ত্রী এবং ক্রিমিন্যাল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা একটি ধর্মীয় কর্তব্য, যা “যেকোনো পরিস্থিতিতেই” পালন করতে হবে।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী এসব আলেম দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন ও তার তত্ত্বাবধানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। বিবৃতিতে তারা আরও দাবি করেছে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নেয়ার আহ্বান সর্বোচ্চ গুরুত্বের বিষয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, যেকোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি এই অপরাধীদের নাগাল পায়, তবে তাদের জাহান্নামে পাঠানো তার জন্য বাধ্যতামূলক।

এদিকে ইরানের দৈনিক হামশাহরি প্রথম পাতায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে রাইফেলের নিশানার (ক্রসহেয়ার) মধ্যে ট্রাম্পের মুখের ছবি ছাপানো হয়েছে। ছবির ওপর বড় শিরোনামে লেখা ছিল, প্রতিশোধ নিশ্চিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা আসলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশল, যার উদ্দেশ্য নতুন করে হামলার প্রস্তুতির জন্য সময় নেয়া।

ইরানের ধর্মীয় নেতারা দাবি করেছেন, নতুন করে হামলার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে উল্লিখিত বিষয়গুলো নির্ধারিত ৩০ ও ৬০ দিনের সময়সীমার মধ্যেই নিষ্পত্তি করতে হবে।

এ ছাড়া আলেমরা ইরানের সমর্থকদের “নেতার নামে” রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের উপস্থিতি এখন অপরিহার্য এবং নির্ধারক।

আবুল হাসেম

১ ঘন্টা আগে

আমার মনে হয় এ গুলো বানোয়াট মন্তব্য। আমেরিকা এ ধরনের মন্তব্য প্রচার করছে। একই ভাবে তারা অপপ্রচার করে আফগানিস্থান, ইরাকে হামলা করেছে। এমনকি টুইনটাওয়ারের ঘটনা যে আমেরিকা/ ইসরাইলের সাজানো নায় তার কি কোন প্রমান আছে ?

মন্তব্য করুন