চলতি বছরের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে অতর্কিত হামলা শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। দেশ দুইটির যৌথ হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির কয়েক ডজন শীর্ষ নেতা ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়।
এনিয়ে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি বাঘের জোলঘাদর বলেছেন, যারা সুপ্রিম লিডার আলি খামেনিসহ অন্যান্য নেতাকে হত্যায় জড়িত তাদের শাস্তি দেয়া হবে।
তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ যে নিতে হবে তা এখনো এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে। এক বার্তায় জোলঘাদর বলেছেন, খামেনি এবং অন্যান্য শহীদদের রক্তের বদলা নেয়ার ফাইল এখনো উন্মুক্ত রয়েছে। যারা হামলার নির্দেশ দিয়েছে এবং এসব অপরাধ করেছে তাদের শাস্তি হবেই।
সমঝোতা স্মারকের আলোকে বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ৬০ দিনের যুধবিরতি চলছে। তবে সমঝোতার পরেও হরমুজ প্রণালিতে দেশ দুইটির মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা দেশ দুইটির মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন।

ফকির ছানোয়ার সানী
২ ঘন্টা আগেখামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেয়া উচিত বলে আমি মনে করি।।