মার্চের শুরুতে ঢাকা আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর। তার সফরটি হবে দুই দিনের। ৩রা এবং ৪ঠা মার্চ নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশে থাকছেন তিনি। গত ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে বহুল আকাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু ওই ভোটাভুটির মধ্যদিয়ে উত্তরণ ঘটেছে ঝুঁকির মুখে থাকা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের। সেই নির্বাচনের পর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কোনো প্রতিনিধির ঢাকায় এটাই হবে প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। সোমবার দুপুরে ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাদের আলোচ্যসূচির অন্যতম বিষয় ছিল পল কাপুরের অত্যাসন্ন ঢাকা সফর।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মন্ত্রী- রাষ্ট্রদূতের আলোচনায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব গুরুত্ব পেয়েছে।
আলোচনায় দুই পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন অংশীদারত্ব, অভিবাসন এবং জনগণের মধ্যে বিনিময়সহ সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনা করেন। আলোচনায় রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কথা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মিয়ানমারে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য টেকসই রাজনৈতিক সহায়তা কামনা করেন। ভবিষ্যতে সব ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে বৈঠকে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে তার কার্যালয়ে প্রথমে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানেও তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন।

MD Khan
৩ মাস আগেবোঝাই যাচ্ছে চীনের বলয়ে যাতে বাংলাদেশ না ঢোকে, সেই জন্য আমেরিকা প্লান তৈরি করে চলছে। কিন্তু চীনকে তো আমাদের দরকার। চীন আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। চীন একটি বিশ্বস্থ দেশ। আমেরিকা আমাদের উন্নয়ন সহযোগী নয়।