১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ। গ্রুপ পর্বে শক্তিশালী ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে দেয় নরওয়ে। ঐতিহাসিক সেই জয়ের কয়েক মাস আগে দেশটিতে জন্ম নেন সান্ডার বার্গ। ২৮ বছর পর ছোট্ট সেই ছেলেটি এখন নরওয়ের মিডফিল্ডারের দায়িত্বে। ছোটবেলায় ব্রাজিলকে হারানোর সেই গল্প শুনে বড় হওয়া সান্ডার বার্গ এবার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে চান। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা নরওয়ে আজ রাতে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় উঠার লড়াইয়ে নামছে। এই ম্যাচে জয়ী দল শেষ ষোলোতে মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের।
ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে বার্গে বলেন, ‘আমি যেন সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি নিজে অনুভব করেছি। কারণ এটা নিয়ে আমাদের দেশে প্রচুর আলোচনা হয়। নরওয়ের সব ফুটবলারের মতোই আমরা ব্রাজিলের সুপারস্টারদের খেলা দেখে বড় হয়েছি। তাদের বিপক্ষে নকআউট পর্বে খেলাটা হবে স্বপ্নপূরণের মতো। এটি আমাদের জন্য একটি দারুণ চ্যালেঞ্জ।’ তবে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বাড়তি কোনো চাপ নিতে নারাজ নরওয়ের কোচ স্টলে সোলবাকেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনই পরবর্তী প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবছি না। সেটা অনেক আগাম চিন্তা। আমাদের মূল লক্ষ্য আগামীকালকের ম্যাচটি জেতা।’ নরওয়ের বর্তমান দলের ২৬ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে মাত্র ৯ জনের জন্ম ১৯৯৮ সালের ওই ঐতিহাসিক ম্যাচটির সময়। দলের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আইয়ার বলেন, ‘আমাদের বর্তমান দলের মানসিকতা খুবই শক্তিশালী। আমরা অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এসেছি, যা আমাদের লড়াই করতে শিখিয়েছে। আমরা জয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করবো।’ ১৯৯৮ সালের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ৮৩ মিনিটে গোল করে সমতায় ফিরেছিল নরওয়ে এবং ৮৯ মিনিটে তোরে আন্দ্রে ফ্লোর পেনাল্টি থেকে গোল করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল দলটি। সেই স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়েই এখন মাঠে নামছে নরওয়ে।
‘ব্রাজিলের বিপক্ষে নকআউটে খেলতে পারা স্বপ্নপূরনের মতো’
স্পোর্টস ডেস্ক
খেলা
২ ঘন্টা আগে
৩০ জুন (মঙ্গলবার), ২০২৬, ৬ঃ২৪ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
