সিলেটের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন বলেছেন, এই দেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন বন্ধে সরকারকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। যে কোনো মূল্যে সরকারের আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ নিতে হবে। এই দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার। ধর্মীয় পরিচয়ের বাহিরে আমরা মানুষ এমন মানসিকতা নিয়ে আমাদের চলতে হবে। এ দেশকে সকল জাতি ধর্মের মানুষের নিরাপদ আবাস ভূমি হিসেবে রাখতে হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিজেদের মধ্যে ঐক্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে। গোয়াইনঘাট উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আওতাধীন সকল মন্দির ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় সুন্দর সুশৃঙ্খল নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।
এসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির সহ স্থাপনার নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় সরকারকে আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান তিনি। শনিবার সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা সদরসহ শিব বাড়ি মন্দিরে পূজা উদযাপন পরিষদ গোয়াইনঘাটের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ গোয়াইনঘাটের সভাপতি বাবু সুবাস চন্দ্র পাল ছানার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নিত্যান্ত দাস সুলাল কান্তদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেটের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রঞ্জন ঘোষ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের প্রচার সম্পাদক রজত কান্তি চক্রবর্তী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক লিপ্টন রঞ্জন তালুকদার, সহ কোষাধ্যক্ষ কনিস্ক দে সানি, জেলা ছাত্র ঐক্য পরিষদের মিতিল পাল প্রান্ত, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি গোপাল কৃঞ্চ দেব চন্দন, সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার চন্দ সন্তোষ প্রমুখ। পরে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশন মন্দিরের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সিলেটের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপীকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়নের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রঞ্জন ঘোষের সঞ্চালনায় সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে নিকলেশ দাশকে সভাপতি, নিত্যানন্দ দাসকে সাধারণ সম্পাদক ও প্রশান্ত দে টিপলুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে গোয়াইনঘাট উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
