২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা করে একটি বাজেট সেমিনারের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ভ্যাট বার এসোসিয়েশন। সভায় নতুন ভ্যাট পরামর্শকদের সংবর্ধনা ও ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সাগর রুনি হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নবীণ ভ্যাট কলাস্ট্যান্ট, জুলাই যোদ্ধা ও ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের সবংর্ধনা ও সম্মানসূচক ক্রেস্ট দেয়া হয়েছে।
সভায় বক্তারা প্রস্তাবিত বাজেটের নানামুখী চ্যালেঞ্জ, ঘাটতি, শঙ্কা ও ভ্যাট সংক্রান্ত পরিবর্তনসমূহ তুলে ধরেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ভ্যাট বার এসোসিয়েশন ড. মো. নূরুল আজহার। তিনি বলেন, ভ্যাট আদায়ে এনবিআরকে সহায়তা প্রদানের পাশাপশি ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে ব্যবসায়ীদের কার্যকরী সহায়তা প্রদানসহ ভ্যাট পরামর্শকদের আরো দক্ষ ও চৌকস হতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি (অঃ) সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম বলেন, এবারের বাজেট নতন বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট, বাজেট ব্যবসায়ী বান্ধব তবে জীবন যাত্রা বা বৃদ্ধি করবে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান এফসিজিএ বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক ৬.০৫ লক্ষ কোটি টাকার কর রাজস্ব আহরন টার্গেট এ সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্চ হবে, কেননা ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং বর্ধিত মুদ্রাস্ফীতি একটি বড় অন্তরায়। প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ভ্যাট বার এসোসিয়েশনের ট্রেজারার মো. রেফাউল করিম চৌধুরী এফসিএ। তিনি বলেন, মোট ৯.৩৮ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়ন বিশেষত ৬.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ অবশ্যই চ্যালেঞ্চের বিষয়। উপরন্তু ২ দশমিক ৩৪ লক্ষ কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট সংস্থান নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে।
নবীন ভ্যাট পরামর্শক চন্দ্র মল্লিকা বলেন, পরামর্শকদের কথা বলার জায়গা নেই, এনবিআর এর মাঠ পর্যায়ের অফিসে গেলে কর্মকর্তা কর্মচারিরা নানাভাবে প্রতিনিয়ত অবজ্ঞামূলক আচরণ প্রদর্শন করে থাকে যেটা হওয়া অনুচিত।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আইসিএবি’র ঢাকা রিজিওনাল কমিটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান এফসিএ, ইনস্টিটিউট অব সার্টিফাইড জেনারেল একাইন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি মোহাম্মদ মামুন উর রশিদ, কাস্টমস, এক্সাইজ এবং মূল্য সংযোজন কর আপিল ট্রাইব্যুনালের সদস্য এ. কে. এম মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
