অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এই ভিজিটে প্রধানমন্ত্রী একটা মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। এটা আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে শুধু নয়, বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের কী সম্পর্ক হবে সেটা নিশ্চিত করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া এবং চীন সফরে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শনিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনের শুরুতে এ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ধন্যবাদ প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রীও বক্তব্য রাখেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের রাজনীতিতে কালচারাল পরিবর্তন শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে যাওয়ার সময় এবং আসার সময় লোকসমাগম করেননি। হাজার লোকের সমাগম করেননি এটা বড় পরিবর্তন। প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরের বেঞ্চমার্ক কনফার্ম করেছেন যেটা বিএনপির রাজনীতিতে সব সময় ছিল। আমরা কোথাও কম্প্রমাইজ করবো না। আমরা সম্পর্ক কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুত।’
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় আমাদের এনার্জি ও শ্রম বাজারের বড় একটা ইন্টারেস্ট রয়েছে। পাশাপাশি ট্রেড-ইনভেস্টমেন্টের একটা ইন্টারেস্ট রয়েছে। চীনের সঙ্গে বড় ট্রেডের বিষয় আছে এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়নের একটা সম্পর্ক আছে। চীনের সঙ্গে ট্রেড গ্যাপ পূরণ করে রপ্তানি বাড়াবো। এই বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। চীন-মালয়েশিয়া সফরের ভিত্তি ছিল পররাষ্ট্রের ওপর ভিত্তি করে।’
