ঘানার জমাট রক্ষণভাগের সামনে হোঁচট খেলো ইংল্যান্ড। ম্যাসাচুসেটসের বোস্টনে অনুষ্ঠিত ‘গ্রুপ এল’-এর ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে। পুরো ম্যাচে ইংল্যান্ডের দখলে রেকর্ড ৭৮.৮ শতাংশ বল পজিশন থাকলেও, কার্লোস কুইরোজের শিষ্যদের স্তরে স্তরে সাজানো রক্ষণদুর্গ ভাঙার কোনো উপায় খুঁজে পায়নি থ্রি লায়নরা।
প্রথমার্ধ থেকেই ঘানা তাদের ‘লো-ব্লক’ বা অতি-রক্ষণাত্মক কৌশলে ইংল্যান্ডকে বোতলবন্দী করে রাখে। ক্রোয়াটদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৪-২ গোলের উড়ন্ত জয়ের পর, এই ম্যাচে বেলিংহাম ও হ্যারি কেনরা প্রথমার্ধে একটি শটও অন-টার্গেটে রাখতে পারেননি। উল্টো ঘানার সেমেনিয়ো ও আইয়ু কাউন্টার অ্যাটাকে বেশ কয়েকবার ক্রিস কনসা ও রিস জেমসের পরীক্ষা নেন।
দ্বিতীয়ার্ধে টুখেল আক্রমণভাগের ধার বাড়াতে বুকায়ো সাকা, মার্কাস রাশফোর্ড এবং নিকো ও'রাইলিকে মাঠে নামান। ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে নাটকের পর নাটক তৈরি হয়। ৮৬ মিনিটে বদলি নামা ও'রাইলির চমৎকার হেডার ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে এবং ফিরতি বলে মাত্র সাত গজ দূর থেকে হ্যারি কেইন অবিশ্বাস্যভাবে বল আকাশে উড়িয়ে মারেন। ইনজুরি টাইমে ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে মার্ক গেয়ির একটি লুপ করা হেডার গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন ঘানার ডিফেন্ডার ওপোকু।
শেষ পর্যন্ত ঘানার গোলকিপার বেঞ্জামিন আসারেকে পরাস্ত করতে না পারার হতাশায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় ফেভারিট ইংল্যান্ডকে।
