ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত পর্যায়ের আলোচনা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির রোববার ভোরে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। ২১শে জুন সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে এ আলোচনা হওয়ার কথা। গত বৃহস্পতিবার বহু প্রতীক্ষিত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কয়েক মাস ধরে চলা তীব্র বৈরিতা মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তোলে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিকেও সংকটে ফেলে।
চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধের অবসান, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়ে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক্সে দেয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির এসব আলোচনায় অংশ নেবেন। পোস্টে আরও বলা হয়, তাদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এফও) পৃথক এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতার বাস্তবায়নে পাকিস্তান সমর্থন ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে দেয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও কাতারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলও আলোচনায় অংশ নেবে। ১৭ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের পর এই বৈঠককে দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরান, কাতার, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এসব বৈঠকের মাধ্যমে আঞ্চলিক সংলাপ ও টেকসই শান্তির প্রতি পাকিস্তানের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হবে।
