গ্রুপ সেরার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া

গ্রুপ সেরার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া

ফন্ট সাইজ:

বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের শুরুটা হয় স্বপ্নের মতো। নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতে এবার ‘ডি’ গ্রুপের শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার। আজ রাত ১টায় ওয়াশিংটনের সিটল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। ম্যাচে জয় পেলে শেষ ৩২ প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে স্বাগতিকদের। গ্রুপসেরা হাওয়ার সমীকরণ মেলানোও সহজ হবে। তবে ছেড়ে কথা বলবে না অস্ট্রেলিয়াও। প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। গতিশীল আক্রমণ আর মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে মুন্সিয়ানা দেখান মাউরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা। আর অস্ট্রেলিয়া তো পাশার দানই উল্টে দেয়। টুর্নামেন্টের অন্যতম আন্ডারডগ তুরস্ককে ২-০ গোলে উড়িয়ে এখন আত্মবিশ্বাসী অস্ট্রেলিয়া। সংগঠিত রক্ষণ আর দ্রুত পাল্টা আক্রমণই সকারুজদের সাফল্যের মূলমন্ত্র।
দুই দলের লড়াইয়ের ইতিহাস বেশ জমজমাট। এখন পর্যন্ত ১২ বার মুখোমুখি হয়েছে তারা। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জিতেছে ২ ম্যাচ, অস্ট্রেলিয়া ৩টি। বাকি ৭টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

নজর থাকবে যাদের ওপর
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সেনসেশন ফোলারিন বালোগান। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করেন তিনি। বক্সের ভেতরে প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি বালোগান। অভিজ্ঞ ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকের সঙ্গে বালোগানের জুটি জমে উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও তারাই হবেন প্রধান অস্ত্র। প্যারাগুয়ে ম্যাচে চোটে পড়েন পুলিসিক। তবে কোচ পচেত্তিনোর আশা এই ম্যাচে খেলতে পারবেন তিনি। অন্যদিকে, সকারুদের প্রধান ভরসা নেস্টরি ইরানকুন্ডা। তুরস্কের বিপক্ষে তার পা থেকেই প্রথম গোলটি আসে। গতি ও ড্রিবলিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণের পরীক্ষা নেবেন এই তরুণ।
ট্যাকটিকস
বল দখলে রেখে আক্রমণ গড়তে পছন্দ করেন যুক্তরাষ্ট্র কোচ পচেত্তিনো। উইং ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করবে তারা। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া খেলবে কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশলে। সুযোগ পেলেই দ্রুত ট্রানজিশনে আঘাত হানবে সকারুজরা। দ্রুত গতিতে কাউন্টার অ্যাটাকে গোল আদায় করে নেওয়ার চেষ্টা থাকবে তাদের।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন