এক ম্যাচেই পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। যে তুরস্ককে আসরের অন্যতম ডাক হর্স ভাবা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে তারাই এখন খাদের কিনারে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে বড় হারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে প্যারাগুয়েরও। বিশ্বকাপে টিকে থাকার মিশনে এই দুটি দল এবার মুখোমুখি হচ্ছে মাঠে। সান ফ্রান্সিসকোর বে অ্যারেনায় ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচটি শুরু আগামীকাল বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দু’দলের এটি প্রথম সাক্ষাত।
মাত্র একবারই ফ্রেন্ডলি ম্যাচে মুখোমুখি হয় তারা। ১৯৯৫ সালের ওই ম্যাচ গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়। সাবেক প্যারাগুইয়ান তারকা ক্রিস্টিয়ান রিভেরোস বলেন, ‘একটি সমানে-সমান লড়াই হবে, কারণ এখানে দুটি ভিন্ন ধরনের খেলা দেখা যাবে। প্যারাগুয়ে সম্ভবত ভালোভাবে রক্ষণ সামলানোর চেষ্টা করবে এবং সংগঠিত থাকবে। তারা ম্যাচ জিততে প্রচুর শারীরিক শক্তি ও গতির ব্যবহার করবে। অন্যদিকে, তুরস্কের খুব ভালো ও দক্ষতাসম্পন্ন খেলোয়াড় থাকায় আমি আশা করছি তারা বল দখলে রেখে খেলার চেষ্টা করবে এবং সরাসরি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে। আমি আমার জাতীয় দলের জয় আশা করছি। তবে একই সঙ্গে চাই ম্যাচটি দুই দেশের জন্যই ভালোভাবে শেষ হোক।’ বাছাই পর্বে কম গোল খাওয়ার রেকর্ড থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এক হালি গোল হজম করে প্যারাগুয়ে। পুলিসিক-বালোগানদের জবাব দেয়ার সক্ষমতা ছিল না। আর অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো আক্রমণভাগ নিয়েও দুর্বল গেম প্ল্যানের কারণে মার খায় তুরস্ক। হাকান চালেনল্লু-আরদা গুলেরদের বাজে ফিনিশিংয়ে ২৮টি শট নিয়েও গোলবঞ্চিত থাকে দলটি। হারের পর ভিনসেঞ্জো মন্তেলার কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তুরস্কের সাবেক কোচ ফাতিহ তারিম। তবে তারিমের সমালোচনার জবাবে তুর্কি ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি ইব্রাহিম হাজিওসমানলু বলেন, ‘আপনি কাকে জবাবদিহির আওতায় আনবেন? এটা তার ব্যক্তিত্ব বা প্রজ্ঞার সঙ্গে মানানসই হয়নি। কার কাছে জবাব চাইবেন? খেলোয়াড়দের কী জিজ্ঞেস করবেন? কোচিং স্টাফদের কি জবাবদিহি করতে বলবেন? নাকি ম্যানেজমেন্টকে প্রশ্ন করবেন? নাকি সভাপতিকেই জিজ্ঞেস করবেন।’
