দক্ষিণ কোরিয়ার অনুশীলনে নজরদারি ড্রোন। স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে গুয়াদালাহারায় করা ক্যাম্পে এমন ঘটনার মুখোমুখি হয় এশিয়ার দেশটি। ড্রোনটি উড়তে দেখে মেক্সিকান সামরিক বাহিনী একে শনাক্ত করে ভূপাতিত করে। ধারণা করা হচ্ছে, দলের গোপন কৌশল জানতে এ ড্রোন উড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ হং মিয়ং-বো জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তাদের প্রস্তুতির খুব একটা ক্ষতি হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মেক্সিকান ফেডারেল কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এপিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মূলত নিবন্ধহীন ওই
ড্রোনটি দক্ষিণ কোরিয়ার গোপনীয় কৌশল জানার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে কোরিয়ান কোচ হং মিয়ং-বো বলেন, ‘অনুশীলনের সময় আকাশে ড্রোনটি নজরে আসে। তবে সৌভাগ্যবশত তখনো আমরা মূল ট্যাকটিক্যাল অনুশীলন শুরু করিনি। তাই বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে গেছি। এমন ঘটনায় বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটি অবশ্যই দুর্ভাগ্যজনক।’ ফুটবলে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির অভিযোগ নতুন নয়। ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকের আগে নিউজিল্যান্ডের অনুশীলনে ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারির অভিযোগে তোলপাড় হয় কানাডার নারী ফুটবল দলে। সেই ঘটনার জেরে প্রধান কোচ বেভ প্রিস্টম্যানসহ বেশ কয়েকজন স্টাফকে বরখাস্ত হন।
