স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেছেন, ‘একটি বিষয়ের প্রতিটি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, অবশ্যই আপনারা গুরুত্ত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেবেন। তবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনগণ যাতে দুর্ব্যবহারের শিকার না হয় সে দিকেও বিশেষভাবে সতর্ক দেবেন।’ বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় শাপলা হলে এসএসএফ-এর ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার প্রধান হিসেবে বর্তমানে প্রতিদিন-প্রতি সময় আমি এসএসএফে-এর কার্যক্রম সরাসরি প্রত্যক্ষ করছি। তবে এসএসএফ-এর কার্যক্রমের সঙ্গে আমার পরিচয় নতুন নয়। মরহুমা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তখন থেকেই অর্থাৎ আমার তরুণ বেলা থেকেই আমি এসএসএফ-এর কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত।’
তারেক রহমান বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট পাওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে। রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুযায়ী সরকার প্রধান হিসেবে এসএসএফ সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’ এসএসএফ-এর ওপর আস্থার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গির কথা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। সেটি হলো, সরকার প্রধান হিসেবে জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপরই আমার সবচেয়ে বেশি নির্ভরতা। সুতরাং, নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যাতে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয় একটি সপিসটিকেটেড বাহিনী হিসেবে সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি আপনাদের প্রতি আহ্বার জানাই।’
প্রধানমন্ত্রী এসএসএফ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনাদের জন্য ‘রেড বুকে’ উল্লেখিত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে অনুসরণ অবশ্য জরুরি। তবে ‘রেডবুকে’র নির্দেশনার পাশাপাশি সময় এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়নেরও সুযোগ রয়েছে। এসএসএফ-এর মতো বিশেষায়িত বাহিনীর জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি প্রতিটি সদস্যের সাহস-সততা-বিশ্বস্ততা-সৰ্বােচ্চ পেশাদারিত্ব-নিয়মানুবর্তিতা এবং সর্বোপরি ‘চেইন অব কমান্ড’ এই বিষয়গুলো কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।’’
