১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফিরেছে নরওয়ে। ২৮ বছর পর তাদের ফেরাটা হলো দাপুটে জয়ে। আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে তারা ৪-১ ব্যবধানে হারাল ইরাককে। এবারের বিশ্বকাপে এশিয়ার প্রথম দল হিসেবে কোনো ম্যাচ হারল ইরাক।
১৯৯৪ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে নরওয়ের হয়ে খেলেছিলেন আলফ-ইঙ্গে হলান্ড। সেই যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি বিশ্বকাপে এবার নরওয়ের নায়ক তার ছেলে আর্লিং হলান্ড।
বোস্টন স্টেডিয়ামে আর্লিং হালান্দের জোড়া গোলে ইরাকের বিপক্ষে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় নরওয়ে।
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই ইরাক তাদের আক্রমণাত্মক রূপ দেখায়। দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক এবং লম্বা পাসে নরওয়ের রক্ষণভাগকে বারবার পরীক্ষায় ফেলে মধ্যপ্রাচ্যের দলটি। অন্যদিকে, নরওয়ে বলের দখল রেখে নিয়ন্ত্রিত ফুটবল খেলার চেষ্টা চালায়। হালান্দকে ঘিরে ইরাকি ডিফেন্ডারদের কড়া মার্কিং ছিল চোখে পড়ার মতো।
২৯তম মিনিটে ডেভিড মোলার উলফের দুর্দান্ত ক্রস থেকে স্লাইডিং শটে গোল করে নরওয়েকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন আর্লিং হালান্ড। তবে পিছিয়ে পড়েও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েনি ইরাক। ৩৯তম মিনিটে আলি জাসিমের নিখুঁত এক ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান আইমেন হুসেইন।
ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে ইরাকের রক্ষণভাগের একটি মুহূর্তের অসতর্কতা বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। গোলরক্ষক জালাল হাসান ব্যাকপাস নিয়ন্ত্রণে নিতে দেরি করে ফেলেন, আর সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বল জালে জড়ান হালান্ড। এতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নরওয়ে।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আইমেন হুসেইনের একটি শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে এলে ইরাকের সমতায় ফেরার আরেকটি ভালো সুযোগ নষ্ট হয়। পেনাল্টির আবেদন থাকলেও রিপ্লেতে দেখা যায় বল খেলোয়াড়ের হাঁটুতে লেগেছিল।
