লেবাননে যেকোনো ধরনের হামলা এবং দেশটির ভূখণ্ডে ইসরাইলি সেনাদের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গের অন্তর্বর্তী চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার আরাগচি বলেছেন, আমাদের দৃষ্টিতে এই সমঝোতা স্বারকের একপক্ষ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল, আরেকপক্ষ হচ্ছে হিজবুল্লাহ ও ইরান। তিনি জানান, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন ধাপে আলোচনা হবে। এ ছাড়া দেশটির পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, লেবাননে হামলা হলে এর জবাব দেয়া হবে।
ইতিমধ্যে ইরানের সাথে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দু’জনেই স্বাক্ষর করেছেন। তবে সেটা ইলেকট্রনিক উপায়ে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই সমঝোতা স্মারকটি প্রকাশ করা হবে বলে সাংবাদিকদের সাথে এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ইসরাইল জানিয়েছে, তারা লেবানন, সিরিয়া এবং গাজা থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করবে না।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এক বিবৃতিতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং আমি একটি স্পষ্ট নীতি অনুসরণ করছি। তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, লেবাননে ইসরাইলি অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় ইরান যদি আক্রমণ করে, তবে ইসরাইল পূর্ণ শক্তি দিয়ে তার প্রতিশোধ নেবে। এ ছাড়া দেশটির উগ্র-ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ‘অধীনস্থ রাষ্ট্র’ নয়।
