টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপর্বের সবশেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে উড়ে গেছে ওমান। এ ম্যাচে হেরেই সীমিত সংস্করণের বিশ্বকাপের এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে বাংলাদেশের ভাগীদার হয়েছে দেশটি।
অজিদের বিপক্ষে ৯ উইকেটের হার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানের টানা দশম হার। এর আগে বিশ্বমঞ্চে টানা ১০ ম্যাচে হারের অনাকাঙ্ক্িষত রেকর্ডটি এককভাবে ছিল শুধু বাংলাদেশের। ২০০৭ থেকে ২০১২-এর মধ্যে এই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে টাইগাররা। ওমানের এই যাত্রাটাও শুরু বাংলাদেশের থেকেই। লিটন দাসদের কাছে হারের পর থেকেই এখনও বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি তারা। ২০২১ আসরে বাংলাদেশের কাছে হারের পর থেকেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়ের মুখ দেখেনি ওমান। সেবার বাংলাদেশের পর স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নেয় দলটি ওমান। পরের আসরে মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ২০২৪ আসরে সুযোগ পেলেও সেই জয় সোনার হরিণই ছিল ছিল ওমানের জন্য। এবারের আসরেও এর ব্যতিক্রম কিছু উপহার দিতে পারেনি তারা। ‘বি’ গ্রুপে একে একে জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কারও বিপক্ষেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি ওমান। ২০২১ বিশ্বকাপে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয়ই দেশটির সবশেষ। টানা ১০ ম্যাচ হেরে আগেই এই অনাকাঙ্ক্িষত রেকর্ড এককভাবে গড়ে বাংলাদেশ। তাদের হারের শুরুটা হয় ২০০৭ বিশ্বকাপে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পর থেকেই পরাজয়ের বৃত্তে ঘুরপাক খেতে থাকে বাংলাদেশ। সেবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে ও সুপার এইটের তিন ম্যাচের সবগুলোতেই হারের তেতো স্বাদ পায় লাল-সবুজের ছেলেরা। এরপর ২০০৯, ২০১০ ও ২০১২তে পরবর্তী তিন আসর মিলিয়ে ছয় ম্যাচের সবগুলোতেই হেরে প্রতিবার গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নেয় বাংলাদেশ। অবশেষে ২০১৪ আসরে ঘরের মাঠে সেই বৃত্ত ভাঙে টাইগাররা।
মিরপুরে প্রথম ম্যাচেই আফগানিস্তানকে হারিয়ে জয়ের তৃপ্ততা পান সাকিব-মুশফিকরা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা হারের রেকর্ড:
দেশ ম্যাচ সংখ্যা
ওমান ১০
বাংলাদেশ ১০
নামিবিয়া ৭
আয়ারল্যান্ড ৭
পাপুয়া নিউগিনি ৭
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা হারে বাংলাদেশের পাশে ওমান
স্পোর্টস ডেস্ক
২২ ফেব্রুয়ারি (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
