এ বছরই পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন নেইমার

এ বছরই পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন নেইমার

ফন্ট সাইজ:

নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নটি হচ্ছে, তিনি বিশ্বকাপে খেলবেন তো? সেটি এখনও অনিশ্চিত। তবে ভক্তদের এখনই একটি খবর প্রায় নিশ্চিতভাবেই দিয়ে দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। নিজ দেশের অনলাইন চ্যানেল কেজ টিভিতে দেয়া সাক্ষাৎকারে নেইমার জানান, চলতি বছরের শেষেই বুটজোড়া তুলে রাখতে পারেন তিনি। নেইমারের উত্থানটা ছিল দারুণ। সান্তোসের জার্সিতে ২০০৯-এ ১৭ বছর বয়সে তার পায়ের কারিকুরি থেকে চক্ষু ছানাবড়া হয়ে যেত যে কারও। সেখান থেকে বার্সেলোনা মাতিয়ে, প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) অনেকটা সময় কাটিয়ে চলে যান সৌদি প্রো লীগের ক্লাব আল হিলাল। তবে চোট প্রবণতার কারণে পুরোদমে খেলতে পারেননি কোথাও। সেটি আরও প্রকট হয়ে ওঠে আল হিলালে। অবশেষে দুপক্ষের সম্মতিতে সেখান থেকে বিদায় নেন নেইমার, ফেরেন শৈশবের ক্লাব সান্তোসে। বর্তমানে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। তবে কার্লো আনচেলোত্তির দলে জায়গা পেতে সর্বপ্রথম যা দরকার, সেটি হলো শতভাগ সুস্থতা। তবে এখন পর্যন্ত সে শর্ত পূরণ করতে পারেননি এ সেলেসাও তারকা। একের পর এক চোটের কারণেই নেইমারের ক্যারিয়ার নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বারবার। তেমন কিছু জানাতে গিয়েই তিনি বলেন, ‘এ সময়ের পর কী ঘটবে আমি জানি না। পরবর্তী বছর সম্পর্কেও ধারণা নেই। হয়তো ডিসেম্বর এলে আমি অবসর নিতে চাই। আমি এখন বছর ধরে চিন্তা করছি। আমার হৃদয় কী সিদ্ধান্ত নেয়, দেখা যাক। বছরের শেষ দিকে আমার মন যা বলবে, তার ওপরই সব নির্ভর করছে।’ তবে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানানোর আগে বিশ্বকাপসহ চলতি বছরের পুরো সময় জুড়ে খেলতে চান নেইমারের। তিনি বলেন, ‘এ বছরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেবল সান্তোসের জন্যই নয়, ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্যও। যেহেতু বছরটি বিশ্বকাপের এবং আমার জন্যও। এ বছরের শতভাগ সময় আমি খেলতে চাই।’ সাও পাওলো চ্যাম্পিয়নশিপে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভেলো ক্লাবের বিপক্ষে ৬-০ গোলে জয়ের ম্যাচে মাঠে ফেরেন নেইমার। সেদিন নিজে গোল না পেলেও, অ্যাসিস্ট করে সান্তোসকে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে সাহায্য করেন এ তারকা ফরোয়ার্ড। চোট ও অস্ত্রোপচারের পর সেদিন দুই মাসের বেশি সময় পর মাঠে ফেরেন নেইমার। ব্রাজিলে নতুন মৌসুমের একদম শুরু থেকে থেকে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০ ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে। সে বিষয়ে ৩৪ বছর বয়সী নেইমার বলেন, ‘দলকে সেরাভাবে সাহায্য করতে আমি ফিরতে চেয়েছি। তবে শতভাগ সুস্থ হয়ে ফিরতে নিজেকে কিছুটা সংযত রাখতে হয়েছে।’ এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরের শেষে ব্রাজিলিয়ান শীর্ষ লীগে অবনমনের শঙ্কায় পড়ে সান্তোস। শৈশবের ক্লাবটির রক্ষাকর্তা হয়ে শেষ তিন ম্যাচে চোট নিয়েই খেলেন নেইমার। তিন ম্যাচের সবগুলোতেই জিতে দেশটির শীর্ষ লীগে টিকে থাকা নিশ্চিত হয় ক্লাবটির। তবে চোট নিয়েই খেলে যাওয়ায় তার খেসারতও দিতে হয় নেইমারকে। এরপরই বাঁ হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করান তিনি। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের জার্সিতে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে (৭৯) বিশ্বকাপে দেখা যাবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। আগামী জুন-জুলাইতে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে শেষ পর্যন্ত নেইমার খেললে সেটি হবে তার চতুর্থ আসর।


ডজতগজজ

৩ মাস আগে

তিনি খেলবে না কেন

মন্তব্য করুন