কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে

কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে

ফন্ট সাইজ:

আবারো কালোটাকা সাদা করার সুযোগ। তবে আগের মতো কম কর দিয়ে নয়। এবার দিতে হবে নিয়মিত কর। আবাসন খাতে বিনিয়োগ করা অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে নতুন বাজেটে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট এটি।

নতুন বিধান অনুযায়ী, জমি, ফ্ল্যাট বা ভবন কেনার সময় প্রকৃত মূল্য গোপন করে কম মূল্য দেখানো হলে সেই অর্থ রিটার্নে দেখানো যাবে। তবে এজন্য গুনতে হবে মোটা অঙ্কের কর। ক্রেতাকে প্রকৃত মূল্য ও দলিলমূল্যের পার্থক্যের ওপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হবে। বিক্রেতার ক্ষেত্রে দিতে হবে ১৫ শতাংশ মূলধনী কর। শুধু তাই নয়, আয়কর বিভাগ আগে বিষয়টি উদ্ঘাটন করলে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ জরিমানাও গুনতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, কেউ ২ কোটি টাকায় ফ্ল্যাট কিনে দলিলে ৫০ লাখ টাকা দেখালে গোপন করা দেড় কোটি টাকার ওপর ৪৫ লাখ টাকা কর দিতে হবে। পরে ধরা পড়লে আরও ৯ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। বিক্রেতার ক্ষেত্রেও রয়েছে একই ধরনের বিধান। দেড় কোটি টাকার ব্যবধান হলে তাকে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা কর দিতে হবে। পরে ঘোষণা দিলে অতিরিক্ত সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। তবে এই সুযোগ নিয়ে অর্থ বৈধ করলে সেই অর্থের উৎস নিয়ে অন্য কোনো আইনে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

তবে আদালতে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি বা যাদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে তারা এ সুবিধা পাবেন না। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকার ১০ ও ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই সুবিধা বাতিল করে। এবার নতুন শর্তে আবারো সেই পথ খুললো।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন