আম্বানিকে টপকে ফের এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি

আম্বানিকে টপকে ফের এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি

ফন্ট সাইজ:

আবারও এশিয়ার শীর্ষ ধনীর মর্যাদা ফিরে পেলেন ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিদ্ধ ফোর্বস সাময়িকীর অনলাইন সংস্করণে ‘রিয়েল টাইম’ বিলিয়নিয়ারের তালিকা অনুযায়ী, গৌতম আদানি ভারতের আরেক শীর্ষ ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানি এবং জাপানের সফটব্যাংক গোষ্ঠীর প্রধান মাসায়োশি সনকে পেছনে ফেলে এই হারানো স্থান ফিরে পেয়েছেন।

ফোর্বস জানিয়েছে, আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে ৮৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে আম্বানির সম্পদের পরিমাণ ৮৮ বিলিয়ন ডলার এবং মাসায়োশি সনের ৮৭ বিলিয়ন ডলার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদানির সম্পদ আকস্মিক বৃদ্ধির পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য আদানি গ্রুপের মালিকাধীন বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি।

এর মধ্যে আদানি জ্বালানির শেয়ার ১ দশমিক ১ শতাংশ, আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন ১ দশমিক ৯, আদানি এন্টারপ্রাইজ ২ দশমিক ৩ শতাংশ, আদানি গ্রিন এনার্জি ৬ দশমিক ৯ শতাংশ এবং আদানি এনার্জি সলিউশনস ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
শুক্রবার পর্যন্ত আদানি গ্রুপের ছয়টি তালিকাভুক্ত কোম্পানির সম্মিলিত বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯১ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে আদানি পাওয়ারের বাজারমূল্য ৪৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, আদানি পোর্টসের ৪৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, আদানি এন্টারপ্রাইজেসের ৪৪ বিলিয়ন ডলার, আদানি গ্রিন এনার্জির ২৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, আদানি এনার্জি সলিউশনসেরর ১৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার এবং আদানি টোটাল গ্যাসের ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার।

ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে মার্কিন বিচার বিভাগ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে আনা প্রতারণা-সংক্রান্ত অভিযোগ খারিজ করার পর থেকে গৌতম আদানির সম্পদ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।
এর আগে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তি নিয়ে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঘুষ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে। তবে আদানি এবং তার সহযোগী কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ বারংবার অস্বীকার করেছেন।

২০২৩ সালে মার্কিন শর্ট-সেলার প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ারমূল্য কারসাজি ও ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগ তোলে, যা বিশ্ববাজারে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এরপরেই আদানির সম্পদে ব্যাপকভাবে ধস নামে।
তবে গত বছর ভারতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো জানায়, অভিযোগগুলোর পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং সেগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন