শাল্লা উপজেলার মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার প্রায় সাত বছর পরও শেষ হয়নি। ২০১৯ সালে কাজ শুরু হলেও বর্তমানে প্রকল্পটির অগ্রগতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। নির্মাণকাজে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগও উঠেছে।
সরজমিন দেখা যায়, নির্মাণাধীন মসজিদ প্রকল্পে কোনো সাইনবোর্ড নেই। ফলে প্রকল্পের ব্যয়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, কাজের মেয়াদ ও অগ্রগতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ কোনো তথ্য জানতে পারছেন না। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ব্যবহৃত রডে জং ধরে গেছে। বহুতল ভবনের কাজে এখনো কাঠের অস্থায়ী সাপোর্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্মাণস্থলের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপও দেখা গেছে।
দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কাজ প্রায় স্থবির অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে নির্মাণস্থলে কয়েকটি স্টিলের জ্যাক ও সেন্টারিং সামগ্রী আনা হয়।
সুনামগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোল্লা রবিউল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাইনবোর্ডটি ঝড়ে উড়ে গেছে। আমি বর্তমানে একটি মিটিংয়ে আছি। এ বিষয়ে প্রসেনজিৎ পালের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তবে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রসেনজিৎ পাল ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাজ অসমাপ্ত ও অযত্নে পড়ে থাকায় ভবনটির কাঠামোগত ক্ষতি হতে পারে। তারা দ্রুত নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে প্রকল্পটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
