‘সেদিন থেকে কুরাসাওয়ে কেউ ঘুমায়নি’

‘সেদিন থেকে কুরাসাওয়ে কেউ ঘুমায়নি’

ফন্ট সাইজ:

আগামী ১৪ই জুন টেক্সাসের হিউস্টনে জার্মানির মুখোমুখি হয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করছে ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও। আপাতদৃষ্টিতে এটি সাধারণ কোনো ম্যাচ মনে হলেও, দলটির ২৬ বছর বয়সী উইঙ্গার তাহিত চং-এর জন্য এটি এক আবেগঘন অধ্যায়। দলের একমাত্র কুরাসাওয়ে জন্ম নেয়া খেলোয়াড় হিসেবে এই টুর্নামেন্ট চং-এর কাছে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের মতো। তার মতে, মূলপর্বের টিকিট পাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কুরাসাওয়ের কেউ ঘুমাতে পারেনি।

নেদারল্যান্ডসের ছয়টি বয়সভিত্তিক দলে খেলা চং-এর ২০২৫ সালে ‘দ্য ব্লু ওয়েভ’-এর হয়ে অভিষেক হয়। সম্প্রতি ফিফার সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কুরাসাও সবসময়ই আমার ঘর। যখনই সুযোগ এসেছে, আমি সেখানেই ফিরেছি যা আমার মনকে টানে। নিজের ৯৬ বছর বয়সী প্রয়াত নানিকে গ্যালারিতে বসিয়ে ম্যাচ খেলার স্মৃতি আজীবন আগলে রাখতে চান এই ফুটবলার।’

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের যুব ও মূল দলের খেলা চং-এর ফুটবলার হয়ে ওঠার গল্পটাও বেশ নাটকীয়। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং জিনেদিন জিদানের সেই বিখ্যাত ‘ঢুস’ দেখেই ফুটবলের প্রেমে পড়েন তিনি। ২০ বছর পর এবার নিজেই বিশ্বমঞ্চে নামছেন।

ইতিহাসের ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে কুরাসাওয়ের এই বিশ্বকাপ যাত্রা প্রসঙ্গে চং বলেন, ‘(মূল পর্বে) যোগ্যতা অর্জনের পর থেকে গত পাঁচ মাস ধরে আমাদের দ্বীপের মানুষ সম্ভবত জেগেই আছে, কেউ ঘুমায়নি! সাধারণত এখানে সবাই ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার সমর্থক। তবে এবার সবাই বুক চিতিয়ে কুরাসাওয়ের জন্য গলা ফাটাবো।’

আগামী ১৪ই জুন রাতে পরাশক্তি জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযাবে নামবে কুরাসাও। ‘জি’ গ্রুপে তাদের বাকি দুই প্রতিপক্ষ তুলনামূলক শক্তিশালী আইভরি কোস্ট এবং ইকুয়েডর।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন