রাষ্ট্র তিনটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত। আর সেই তিনটি স্তম্ভ হলো: আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগ। আইন বিভাগের কাজ হলো রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা। এ কাজটি করে জাতীয় সংসদ ও সংসদ সদস্যরা। নির্বাহী বিভাগের কাজ হলো আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা দেশ শাসন তথা পরিচালনা করা। আর বিচার বিভাগের কাজা হলো আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইন ও নির্বাহী বিভাগ কর্তৃক শাসনের প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত সমস্যা ও পরিস্থিতিতে সংক্ষুব্ধ বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে বিচার করা। এ কাজটি করেন বিচার বিভাগে নিয়োজিত বিচারকরা।
আইন বিভাগ হলো রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এর ৩০০ জন সদস্য জনগণ কর্তৃক সরাসরি নির্বাচিত, যদিও আরো ৫০ সংরক্ষিত আসন আছে মহিলাদের জন্য। রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন সংসদ সদস্যদের প্রধান কাজ বলে তাদেরকে “আইনপ্রণেতা” বলা হয়। সংসদ সদস্যদের মূলতঃ প্রধান কাজ তিনটি: আইন প্রণয়ন করা, সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ও বাজেট অনুমোদন করা।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের ওপর ন্যস্ত। অনুচ্ছেদ ৬৫(১) স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে, “জাতীয় সংসদ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলি-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে”। সংসদ সদস্যদের মূল সাংবিধানিক কাজ হলো— রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয় আইন তৈরি করা, সময় ও বাস্তবতার আলোকে বিদ্যমান আইনের সংশোধন করা, প্রয়োজন দেখা দিলে সংবিধান সংশোধনী বিল প্রস্তাব আকারে সংসদে এলে তাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা।
সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দ্বিতীয় প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। যে সব কাজ ও তৎপরতার মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা এই দায়িত্ব পালন করেন সেগুলো হলো: নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রীদের ও প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা, অনিয়ম বা দুর্নীতি নিয়ে সংসদে আলোচনা ও বিতর্কে অংশ নেয়া, জরুরি ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে কাজ করা, বিভিন্ন মোশন ও প্রস্তাবের উপর আনীত ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ, বিরল (Rare) ঘটনায় আনীত সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাবের উপর হ্যাঁ/না ভোট প্রদান ইত্যাদি।
সংসদে নির্ভয়ে কথা বলা ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের ৭৮(৩) অনুচ্ছেদ সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি দিয়েছে। অনুচ্ছেদ ৭৮(৩)’তে বলা হয়েছে, “সংসদে বা সংসদের কোন কমিটিতে কিছু বলা বা ভোটদানের জন্য কোন সংসদ-সদস্যের বিরুদ্ধে কোন আদালতে কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না”। বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তির জন্য সংসদে মিথ্যা তথ্য বা মানহানিকর কথা বললেও দেশের কোনো আদালতে এ নিয়ে মামলা দায়ের করা যাবে না। তবে স্পিকারের দায়িত্ব হচ্ছে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রদান থেকে সংসদ সদস্যদের বারণ করা অথবা সংসদে জবাব দিতে অক্ষম বা অনুপস্থিত কারো বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য থেকে বিরত রাখা। প্রয়োজনে স্পিকার ঐ বক্তব্যগুলো এক্সপাঞ্জ করেন।
সংসদের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো বাজেট পাশ করা। জাতীয় বাজেট সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও ভূমিকা রয়েছে। প্রতি অর্থবছর সরকার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন। এটা সরকারের আইনি ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। বাজেট পাস ছাড়া সরকার ট্রেজারি থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করতে পারে না। বাজেট সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদ সদস্যদের কাজ হলো: বাজেট নিয়ে ইন্টেনসিভ আলোচনা করা, বাজেটের বিভিন্ন খাত বিশ্লেষণ করা, জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট মতামত প্রদান করা ও পরিশেষে বাজেট অনুমোদনের জন্য ভোট প্রদান করা।
উপরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে লাগে দক্ষতা ও যোগ্যতা। যেসব ব্যক্তিরা দলের নমিনেশন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসছেন তাদের অনেকের যথাযথ যোগ্যতা ও দক্ষতার ব্যাপারে প্রশ্ন রয়েছে। রাষ্ট্রাচার (Warrant of Precedence) অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের অবস্থান অনেক উপরে, সচিবদেরও উপরে। রাষ্ট্রাচারে সংসদ সদস্যদের ক্রমিক হচ্ছে ১৩ আর সচিবদের ক্রমিক হচ্ছে ১৬। আইনপ্রণয়নের মতো রাষ্ট্রের এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে নমিনেশন দেয়ার সময় যদি যোগ্যতা ও দক্ষতার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো যাচাই বাছাই না করে তাহলে জাতি হিসেবে আমরা কেমন আইনপ্রণেতা পাবো বা পাচ্ছি তা সহজেই অনুমেয়।
বাস্তবে আমরা দেখি অনেক সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বিলগুলো ভালোভাবে পড়েন না বা পড়তে পারেন না। পড়লেও বোঝেন না, সংশোধনীর জন্য প্রস্তাব করা তো দূরের কথা। ফলে দলীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত - হাত তুলতে বলা হলে হাত তোলেন, নামাতে বলা হলে নামান। এখানে বিবেকের ভোট, যুক্তির প্রাণবন্ত বিতর্ক ও জনস্বার্থের প্রশ্ন প্রায় অনুপস্থিত। আর এসব কারণেই সংসদ পরিণত হয় একধরনের রাবার স্ট্যাম্পে, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় থাকা নির্বাহী বিভাগের সিদ্ধান্তগুলো অতি সহজেই আনুষ্ঠানিক বৈধতা পায়।
প্রায় সময় যোগ্য ও দক্ষ লোকেরা সংসদে আসছেন না বলেই সম্ভবত: আইন প্রণয়নের চেয়ে সংসদ সদস্যরা বরং স্থানীয় উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রশাসনে খবরদারিতেই বেশি মগ্ন। তাদের উৎসাহ ও আগ্রহ ওখানে। অথচ স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশাসনের উপর কর্তৃত্ব ও খবরদারি মোটেই সংসদ সদস্যদের কাজ নয়। স্থানীয় উন্নয়নের কাজ ও দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের প্রত্যেক্ষ ভোটে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের। সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদ এটা নিশ্চিত করেছে।
টেস্ট রিলিফ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ইত্যাদি প্রকল্পে এমপিদের সম্পৃক্ততা লক্ষ্য করা যায়। ডিও লেটারের মাধ্যমে প্রশাসনে নিয়োগ, প্রমোশন ও বদলিতে এমপিরা অহরহ প্রভাব খাটান। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা ভিজিডি কার্ড কারা পাবেন সেই তালিকা তৈরিতে এমপিরা চূড়ান্ত প্রভাব রাখেন। উপদেষ্টা পদের নামে স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এমপিরা অযাচিত হস্তক্ষেপ ও প্রভাব খাটান। ট্রন্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অব বাংলাদেশের (টিআইবি) মতে, সাংবিধানিক সীমার বাইরে গিয়ে অনেক সময় এমপিরা জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) ওপর অলিখিত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন। অথচ এগুলো মোটেই এমপিদের কাজ নয়। এগুলোর মাধ্যমে মূলত এমপিদের দুর্নীতি ও অবৈধভাবে টাকা কামানোর পথে ধাবিত করা হয়।
Kudrat-e-Elahi Panir V Bangladesh [44 DLR (AD) 319] মামলার রায়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বলেছে, “Local Government is meant for management of local affairs by locally elected persons. If government officers or their henchmen are brought to run local bodies, there is no sense in retaining them as Local Government bodies. Considering the origin, growth and development of local government institutions at different levels of the administration over one and half centuries, it is found that Local Government is an integral part of the democratic polity of the country” (অর্থাৎ “স্থানীয় সরকার হলো স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত ব্যক্তিদের দ্বারা স্থানীয় বিষয়াদির ব্যবস্থাপনার জন্য। যদি সরকারি কর্মকর্তা বা তাদের অনুচরদের স্থানীয় সংস্থা পরিচালনার জন্য আনা হয়, তবে সেগুলোকে স্থানীয় সরকার সংস্থা হিসেবে বহাল রাখার কোনো অর্থ হয় না। দেড় শতাব্দী ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপত্তি, বৃদ্ধি ও বিকাশ বিবেচনা করলে দেখা যায় যে, স্থানীয় সরকার দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ”)।
সর্বোচ্চ আদালতের রায় থেকে স্পষ্ট যে স্থানীয় সরকারের প্রতিটি স্তর স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হবে। এমপিদের কাছে স্থানীয় উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়ে বা স্থানীয় প্রশাসনে তাদেরকে অযাচিত হস্তক্ষেপ করার সুযোগ দিয়ে এর ব্যথ্যয় ঘটানো সংবিধানের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
গণতন্ত্রের সুতিকাঘার বৃটেনে স্থানীয় সরকারের কোন কাজে এমপিদের কখনও জড়িত করা হয় না। এমপিদেরকে তাদের নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের জন্য কোন বরাদ্দ দেয়ার প্রশ্ন আসে না, এ বাবদ একটা পাউন্ডও বৃটিশ এমপিরা পান না। স্থানীয়ভাবে সব ধরনের উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়া হয় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের (কাউন্সিলর, লিডার, মেয়র) কাছে। বৃটেনে এমপিদের প্রধান ও কেবলমাত্র কাজ হচ্ছে আইন প্রণয়ন, সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ, বাজেট পাশ ও পার্লামেন্টে নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করা। প্রত্যেক এমপি তার নির্বাচনী এলাকায় সার্জারি করেন। স্থানীয় সরকারের কোন দফতরের বিষয়ে তার নির্বাচনি এলাকার ভোটাররা এমপির সার্জারিতে আসলে তিনি বড়োজোর সংশ্লিষ্ট ভোটারের পক্ষে স্থানীয় প্রশাসনে অনুসন্ধান (Query) করেন। এর চেয়ে বেশি নয়। স্থানীয় সরকার বা প্রশাসনে অবৈধ বা অযাচিত প্রভাব খাটানোর চিন্তাই করা যায় না। বরং এমন প্রভাব খাটানোর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে পার্লামেন্টারী ওয়াচডগ তাকে ধরবে। তার এমপি পদ নিয়েই টানাটানি শুরু হবে।
এমপিদের কাজ, এক্তিয়ার, দায়িত্ব ও কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে শক্ত ও সুনির্দিষ্ট আইন, বিধি ও নীতিমালা প্রণয়ন করা দরকার। এমপিদের আইন প্রণয়নের যোগ্যতা, দক্ষতা ও সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে যা হবার তাই হবে। তারা বরং দৌড়াবেন ক্ষমতার পেছনে, প্রভাবের পেছনে ও অবারিত সুযোগ-সুবিধার পেছনে। সংসদ সদস্য হওয়াকে অনেক এমপি দায়িত্ব নয়, বরং দেখেন বিশেষাধিকার হিসেবে। সরকারি গাড়ি, প্লট, প্রটোকল, উন্নয়ন প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ, টেন্ডার প্রভাব, নিয়োগে সুপারিশ-এসব হয়ে ওঠে তাদের দৌড়ের মূল লক্ষ্য। সংসদ সদস্যের কার্ডটি যেন অনেকের কাছে একটি সর্বময় লাইসেন্স, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সব দরজা খোলা যায়! এজন্য তো এমপি হবার জন্য সবাই বিশেষ করে ব্যবসায়ীরা পাগল। কেননা এটা যেন এক উর্বর বিনিয়োগের জায়গা যেখানে বিনিয়োগ করলে লাভ আর লাভ, প্রফিট হয় শতগুণ, ক্ষেত্রবিশেষ হাজারগুণ।
আমরা বেদনার সাথে লক্ষ করি যে, সংসদ সদস্যদের একটি বড় অংশ সংসদ ভবনের চেয়ে বরং সচিবালয়, মন্ত্রণালয় ও ক্ষমতাধর আমলাদের দপ্তরে বেশি সময় কাটানোতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন । কারণ সংসদে কথা বললে হয়তো গণমাধ্যমে সংবাদ শিরোনাম হবে, কিন্তু মন্ত্রণালয়ে দৌড়ঝাঁপ করলে প্রকল্প পাওয়া যায়, কমিশন পাওয়া যায়, প্রভাব বাড়ে। স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনে প্রভাব ও হস্তক্ষেপ করলে অভাবিত সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মোচিত হয়।
বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে, সংসদীয় গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে হলে এবং সর্বোপরি এমপিদেরকে আইন প্রণয়েন সংক্রান্ত তাদের মূল কাজে একাগ্র চিত্তে মনোনিবেশ করাতে চাইলে এমপিদের কাজ, এখতিয়ার ও ভূমিকা well defined করতে হবে। দুর্নীতি রোধ, ক্ষমতা অপব্যবহার বন্ধ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠাসমূহকে আইনি ও সাংবিধানিকভাবে বাধাহীনভাবে পরিচালিত করতে এমপিদেরকে কোনভাবেই উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়া উচিত হয়, উচিত নয় স্থানীয় সরকারে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করার সুযোগ দেয়া। উন্নত বিশ্বের গণতন্ত্র বা উন্নয়নশীল দেশের ফাংশনিং ডেমোক্রেসিতে এমনটি করতে দেয়া হয় না। এ সত্য ও খাঁটি কথাটি যত তাড়াতাড়ি যাদের বুঝা দরকার তারা বুঝবেন তত তাড়াতাড়ি দেশের মঙ্গল হবে এবং দেশ একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক ধারায় ধাবিত হবে।
নাজির আহমদ: বিশিষ্ট আইনজীবী, রাষ্ট্রচিন্তক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী এবং ইংল্যান্ডের প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার।
Email: [email protected]
