ইতিহাসে আমার নাম খোদাই করা আছে: নেইমার

ইতিহাসে আমার নাম খোদাই করা আছে: নেইমার

ফন্ট সাইজ:

এখনো চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। দলের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও ব্রাজিলের প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে মাঠে নামতে পারছেন না। এমনকি ২০২৬ বিশ্বকাপে সেলেসাওদের প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। চোট আর অনিশ্চয়তার চাদরে ঢাকা পড়েও নেইমার জুনিয়রকে ঘিরে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের প্রত্যাশার পারদ আকাশছোঁয়া। দুই যুগ ধরে বিশ্বকাপ না জেতা সাম্বা বয়রা বিশ্বাস করে, তার হাত ধরেই আসবে অধরা ‘হেক্সা’ বা ষষ্ঠ শিরোপা। বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অবশ্য ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডেরও আছে। তবে মাঠের ট্রফি যা-ই হোক না কেন, ফুটবল ইতিহাসে নিজের স্থায়ী জায়গা নিয়ে তিনি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী।

‘রেডবুল আল্টিমেট সকার চ্যালেঞ্জ’-এ অংশ নিতে গিয়ে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেন, ‘আমি মনে করি ফুটবলে আমার লিগ্যাসি (স্মৃতিচিহ্ন) ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। ফুটবলের কথা উঠলে যে কেউই কোনো না কোনোভাবে আমাকে মনে রাখবে। তাই আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমি ইতিহাস গড়তে পেরেছি, ফুটবলের ইতিহাসে নিজের নাম খোদাই করে রেখে যেতে পেরেছি। একদিন আমি আমার সন্তানদের, নাতি-নাতনিদের বুক ফুলিয়ে বলতে পারবো, দেশের ফুটবলের জন্য আমি কতটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছি।’

ফুটবলবিশ্বে ঠিক কীসের জন্য মানুষ তাকে মনে রাখবেÑএমন প্রশ্নের জবাবে নেইমার বলেন, ‘আমি এমন একজন মানুষ, যে মাঠের ভেতরে সব সময় নিজের আসল রূপেই চনমনে থেকেছি। সান্তোস, বার্সেলোনা, পিএসজি কিংবা আল হিলালÑযে ক্লাবেই খেলি না কেন, প্রতিবার যখনই মাঠে নেমেছি, নিজের শতভাগ উজাড় করে দিয়েছি। বিশেষ করে ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সিতে আমি কখনো কোনো ছাড় দিইনি।’
বর্তমানে শৈশবের ক্লাব সান্তোসের হয়ে খেলা এই তারকা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেছেন। চুক্তি ও ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় নিয়ে নেইমার জানান, ‘সান্তোসের সঙ্গে আমার আরো এক বছরের চুক্তি আছে। আপাতত সেটি শেষ করতে চাই। এরপর আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে সিদ্ধান্ত নেব আমার জন্য কোনটি ভালো হবে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে সে সময় আমি মানসিক ও শারীরিকভাবে কেমন অবস্থায় আছি, তার ওপর।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন