মিষ্টি কিনে দেয়ার প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

ফন্ট সাইজ:

ঝিনাইদহে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বিল্লাল হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তি গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চরখাজুরা গ্রামের ঝিনুক মালা আবাসন প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বিল্লাল মাগুরার মোহম্মদপুর উপজেলার দেউলি গ্রামের বরকত উল্লাহর ছেলে ও চরখাজুরা ঝিনুক মালা আবাসনের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে ঝিনাইদহ শহরে রিকশা চালাতো। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বিকালে আবাসনের বাসিন্দা এক ৭ বছরের শিশুকে মিষ্টি কিনে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যায় অভিযুক্ত বিল্লাল।

পরে ওই শিশুকে ১০ টাকা দেয় বিল্লাল। পরে বিল্লালের ঘর থেকে শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন সেখানে ছুটে যান। সেখান থেকে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা বিল্লালকে গণপিটুনি দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায়। আবাসনের বাসিন্দারা জানায়, এক সপ্তাহ আগে বিল্লাল আবাসনে আসে। এরপর সে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান জানান, বিকালে ভিকটিম শিশুর মা বাদী হয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বিল্লালকে আসামি করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওসি বলেন, দুপুরে বিল্লালকে আবাসন ও আশপাশের উত্তেজিত লোকজন গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সন্ধ্যার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগসমূহ:

নূর মোহাম্মদ এরফান

১ মাস আগে

ইসলামী আইনে বিচার হলে দেশে ধর্ষণ সহ ক্ষুন চুরি ঢাকাতি চাঁদাবাজী মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ ৯৯% বন্ধ হয়ে যাবে তবে এটা হোক তা দেশ, রাষ্ট্র, প্রশাসনের অনেকেই হয়ত চাননা বা চাইবেন না বিশেষ কোন কারনে। তাইতো মাঝে মাঝে জনগন বিচারের দ্বায়ীত্ব হাতে তুলে নেয়। তবে পিটিয়ে হত্যা পর্যন্ত না গিয়ে ধর্ষণের জন্য অপরাধীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন, চুরির অপরাধে ডান হস্তের কবজি কর্তন, খুনির উভয় হস্তের কবজি কর্তন, ডাকাতির জন্য চক্ষু উৎপাটন, এধরণের শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দিলেও সমাজে অপরাধ অনেকটা কমবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করে।

sattar

১ মাস আগে

W Mob

মন্তব্য করুন