ঈদুল আজহায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কুরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন নিজেই। এ সময় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছিল। এবার সেই দুই কর্মকর্তাকে অসদাচরণের অভিযোগে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। দুজনই সরকারের উপসচিব। এই দুই কর্মকর্তা হলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হওয়া সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হওয়া কাজী সালেহ মুস্তানজির। আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তাঁদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা প্রয়োজন। সাময়িক বরখাস্তকালে তাঁরা বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন।
এরআগে, ঈদুল আজহার পরদিন গত শুক্রবার কাউকে কিছু না জানিয়ে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রায় চার ঘণ্টা ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় গাড়ি চালিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
পরিদর্শনকালে হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্যের পাশাপাশি আগের জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসব এলাকায় বর্জ্য অপসারণে অবহেলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর তাঁর নির্দেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে

SM Rafiqul Islam
১ মাস আগেদুই সিটি করপোরেশনের দুইজন কর্মকর্তাদের সাময়িক চাকুরীচ্যুতিতে আমরা বাংলাদেশের আমজনতা অত্যান্ত খুশি। দ্বায়ীত্বে অবহেলা সরকারি দপ্তরের আমলাদের এক ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। এরা মনেই করে না যে এরা জনগণের পয়সায় সংসার চালান এবং সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। এদের কারো কাছে কোন দায়বদ্ধতা নেই। সরকারকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়ে আরো কঠোর হতে হবে এবং প্রত্যেকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে এর কোন বিকল্প নেই। ধন্যবাদ।