গত ঈদে ‘প্রিন্স’ ছবির ব্যর্থতার দায় নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। এবার অনেক আশা নিয়ে শাকিবের পরবর্তী ছবির অপেক্ষায় ছিলেন হল মালিকরা। কারণ দু’টি ঈদেই সিনেমা হলের মূল ব্যবসাটা হয়। বাকি সময় অনেক হল বন্ধও থাকে। এবার ‘রকস্টার’ সিনেমা দিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হন শাকিব খান। পরিচালক আজমান রুশো পরিচালিত এ ছবিটি নিয়ে শাকিব ভক্তদের মধ্যে বেশ কৌতূহলও দেখা যায়। কিন্তু নিরাশ করলো ‘রকস্টার’। কারণ সিনেপ্লেক্সে প্রথম দুইদিনের সেল রিপোর্ট ভালো হলেও সিঙ্গেল স্ক্রিনে ঠিক উল্টো। দর্শকরা হতাশ হয়ে ফিরছেন ও রিভিউ দিচ্ছেন ছবিটির। ছবিটি সব শ্রেণির জন্য নয়, এমনটাও শোনা যাচ্ছে। গতকাল কথা হয় দেশের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল মধুমিতা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। শাকিবের ছবি মানেই মধুমিতায় ব্যাপক দর্শক সমাগম।
সেদিক থেকে গত ঈদে ‘প্রিন্স’-এ শাকিবের দর্শক সাড়া ছিল না। এবার শাকিবের ‘রকস্টার’র অবস্থা আরও নাজুক। কাল ডিসিতে মাত্র ৯ জন দর্শক দেখেছেন শাকিব খানের ‘রকস্টার’। এমন কিংবা কাছাকাছি অবস্থা দেশের প্রায় সব সিঙ্গেল স্ক্রিনের। মধুমিতা হলের কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ বলেন, ভেবেছিলাম গত ঈদে যে ক্ষতির মুখে পড়েছিলাম এবার তা কিছুটা হলেও লাঘব হবে। কিন্তু ‘রকস্টার’র অবস্থা ভালো নয়। দর্শক সমাগম খুবই কম। এভাবে চলতে থাকলে একেবারে গুটিয়ে ফেলতে হবে ব্যবসা। এতদিন ধৈর্য ধরে ছিলাম। কিন্তু এবার পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। এদিকে, সিনেপ্লেক্সে ‘রকস্টার’র অবস্থা তুলনামূলক ভালো।
তবে শাকিবের ‘বরবাদ’ কিংবা ‘তুফান’র মতো হাউজফুল যাচ্ছে না। একই অবস্থা ঈদের অন্য সিনেমাগুলোরও। শাকিবের সিনেমা ১০০’রও বেশি হলে মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গেল স্ক্রিনেই বেশি। সেদিক থেকে হল মালিকরা বেশ হতাশই হয়েছেন শাকিবের ছবি ‘রকস্টার’-এ। এ ছবিতে শাকিবের বিপরীতে রয়েছেনÑ সাবিলা নূর ও তানজিয়া জামান মিথিলা।

sattar
১ মাস আগেএক নায়ক ভিত্তিক সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি চলতে পারে না। এটা হাস্যকর জুয়া খেলা ছাড়া কিছু না। অভিনয় না জানা ছাবিলা নুর আর টিকটিকি মার্কা বিশ্বসুন্দরি প্রতিযোগি দিয়ে দর্শক টানা যাবে না।