এক পর্যটক তরুণীকে হেনস্তা করার পর তিন বখাটেকে আটক করে বিচার করলেন এলাকার মানুষ। অভিভাবকদের ডেকে এনে তাদের বিচার করা হয়। তবে হেনস্তা সময়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়। হেনস্তার সময় ওই তরুণী নিজেই তার ফেসবুক পেজে তা লাইভ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়- ওই তরুণী সিলেট গোয়াবাড়ি এলাকায় ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন।
তিনি এ হেনস্তার হওয়ার ঘটনা তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে লাইভ করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, এই নারী পর্যটক চা বাগান এলাকায় ঘুরতে গিয়ে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করছেন। এ সময় কয়েকজন কিশোর ও তরুণ তাকে অনুসরণ করতে থাকে। ভিডিওতে ওই নারী অভিযোগ করেন, স্থানীয় কিছু যুবক তাকে উত্ত্যক্ত করছে এবং অশালীন আচরণ করছে। এদিকে ঘটনার পর স্থানীয়রা ওই তিন যুবককে আটক করে।
এরপর রাতে তাদের আটক করে গোয়াবাড়ি এলাকায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় তাদের অভিভাবকও ছিলেন। এ ছাড়া বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজ খান সজীবসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ওই তিন বখাটের পক্ষ থেকে অভিভাবকরাও ক্ষমা চান। পরে আজিজ খান সজীব টুকেরবাজার ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কাউসার আহমদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেন।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি সহিদুর রহমান জানিয়েছেন- তাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তি করার কথা তিনি শুনেছেন। যদি অভিযোগ আসে তাহলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি।
