নাটোরের সিংড়া উপজেলার লালোর ইউনিয়নের সোনাইডাঙ্গা গ্রামের পানাউল্লা খাল। এই খালের দু’পারে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের বসবাস। বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে সোনাইডাঙ্গা গ্রামের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আসতে হয় গোপেন্দ্রনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রতি বছর বর্ষাকালে খাল পারাপারের একমাত্র বাঁশের সাঁকো এটি। স্থানীয়রা জানান, নৌকায় যাতায়াত করা সবার জন্য কঠিন। কারণ মাঝিমাল্লার ২৪ ঘণ্টা ডিউটি পালন করা সম্ভব নয়। এজন্য গ্রামবাসীর অর্থায়নে ২০১০ সালে সোনাইডাঙ্গা খালের উপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন বাসিন্দারা। তারপর থেকে প্রতি বছর মেরামতের মাধ্যমে যাতায়াত করে আসছে।
সোনাইডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা নীল রতন বলেন, হাজারো মানুষের চলাচলের সাঁকো ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগের শেষ নাই। কয়েক দফা এই খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকে মাপজোক হলেও ব্রিজ নির্মাণের পথ অধরাই রয়ে গেছে। গোপেন্দ্রনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমআর হোসনে আরা জানান, কয়েকদিন আগে বাঁশের সাঁকো ভেঙে পড়ায় চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। স্কুল খোলার পর শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে দুর্ভোগ পোহাতে হবে। দ্রুত সাঁকো নির্মাণে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। ৩ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের বলেন, বাঁশের সাঁকো ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। নৌকায় তো সবাই যাতায়াত করতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, এখানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য আমি চেষ্টা করেছি। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। মাপজোক হলেও কাজ শুরু হয়নি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুমার বলেন, ওইখানে একটি সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ ইতিমধ্যে সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সেতুটি নির্মিত হলে স্থানীয়দের দুর্ভোগের অবসান হবে।
