প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সিটি করপোরেশনের ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বর্জ্য অপসারণে অবহেলা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সিটি করপোরেশনের ২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ফন্ট সাইজ:

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার বিকেলে নিজে গাড়ী চালিয়ে তিনি ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।  এসময় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ ও পূর্বের জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে (উপ সচিব) তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির।  স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্র বলছে, কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে আগেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে কয়েকটি এলাকায় সেই নির্দেশনার ঘাটতি ধরা পড়ে।
হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিনরোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্যের পাশাপাশি আগের জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে  দেখেন প্রধানমন্ত্রী । এসব এলাকায় বর্জ্য অপসারণে অবহেলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর তাঁর নির্দেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ট্যাগসমূহ:

SHINGRAPUR

১ মাস আগে

দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো একটি মৌলিক নাগরিক সেবার জন্য যখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তখন তা পুরো প্রশাসনিক কাঠামোর অদক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবকেই স্পষ্ট করে তোলে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলা প্রশাসন যখন দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক।
প্রশাসনিক স্থবিরতা এবং শাস্তির নামে কেবল বদলি বা সাময়িক অব্যাহতির এই সংস্কৃতি নিয়ে নাগরিক সমাজে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র সমালোচনা চলছে।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা: সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বড় কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা (যেমন চাকরিচ্যুতি) নিতে গেলে দীর্ঘ আইনি ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া পার হতে হয়।
ওএসডি ও বদলি সংস্কৃতি: শাস্তির বদলে অনেক সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের ওএসডি (Officer on Special Duty) করা হয় বা অন্য কোনো দপ্তরে বদলি করা হয়, যা প্রকৃতপক্ষে কোনো স্থায়ী সমাধান আনে না।
জবাবদিহিতার অভাব: স্থানীয় সরকার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোর ওপর সরাসরি জনগণের কোনো নিয়ন্ত্রণ বা জবাবদিহি চাওয়ার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম নেই।
রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি: অনেক সময় স্থানীয় প্রভাবশালী বা সিন্ডিকেটের কারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা শাস্তির মুখোমুখি হন না।

Md. Shahadat Hossain

১ মাস আগে

আমাদের ট্যাক্স এর টাকায় বেতনভূক্ত সবাইকে আমাদের নিকট জবাবদিহি করার সংস্কৃতি যতদিন সহজলভ্য না হবে ততদিন দেশের মৌলিক পরিবর্তন হবে না।

প্রধানমন্ত্রীকে অন্যের কাজ করতে হলে ওনার কাজ কে করবেন?

দেশটা কি প্রধানমন্ত্রীর একার?

রনি

১ মাস আগে

বজ্য অপসারণে যে দেশে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ লাগে সে দেশের মানুষগুলি সম্ভবত ভাগাড়ে থাকতেই সহজ মনে করে।

আব্দুল জব্বার

১ মাস আগে

প্রশাসনের এদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব না। কারণ সব রশুন.....!
২/৩ দিন বিশ্রাম নিয়ে পরে বদলি হয়ে আরও ভালো জায়গায় যাবে।

মন্তব্য করুন