রাজধানীতে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীতে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

রাজধানীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখতে মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে নগরীর বিভিন্ন রুট প্রদক্ষিন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি জানিয়েছেন। জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, নগরীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করতেই প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং গাড়ি চালিয়ে পরিদর্শনে বের হয়েছেন।

পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে মেনে গাড়ি থামিয়েছেন এবং সাধারণ নিয়ম মেনেই সড়কে চলাচল করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, তাঁর গাড়িটি গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবন থেকে যাত্রা শুরু করে গুলশান-১, হাতিরঝিল, রামপুরা রোড এবং মালিবাগের আবুল হোটেল হয়ে তালতলা মার্কেট ও বাসাবো সড়ক পথ দিয়ে অগ্রসর হয়।

এরপর তিনি কমলাপুর স্টেডিয়াম, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, যাত্রাবাড়ী মোড়, ধোলাইখাল, শহীদ ফারুক সড়ক ও দয়াগঞ্জ সড়ক হয়ে নারিন্দা ও রায়সাহেব বাজার মোড়ে পৌঁছান। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িটি আদালত সড়ক, নওয়াবপুর, বংশাল রোড, গুলিস্তান, শাহবাগ, এলিফেন্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও নিউ মার্কেট এলাকা প্রদক্ষিণ করে। সেখান থেকে সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, মিরপুর রোড, সিটি কলেজ, সীমান্ত স্কয়ার, জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড এবং মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে মহাখালী সড়ক পর্যন্ত এই পরিদর্শন কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগসমূহ:

Nadim Ahammed

১ মাস আগে

খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামোতে আন্তর্জাতিক মান অর্জনের জন্য দুর্নীতি নির্মূলে একটি পদ্ধতিগত পন্থা অবলম্বন করা প্রয়োজন। দুর্নীতি হ্রাস পেলে সরকারি তহবিল নিয়ন্ত্রক তদারকি এবং অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাগুলিতে যথাযথভাবে বরাদ্দ করা হয়।

SHINGRAPUR

১ মাস আগে

অনুগ্রহ করে এনবিআর এবং সিটি কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশের সকল দুর্নীতিগ্রস্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করুন। এবং বিদেশ থেকে ও আমাদের নিজ দেশ বাংলাদেশ থেকে তাদের সকল অবৈধ সম্পত্তি ও অর্থ বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করুন। তারপর তাদের অর্থ বাংলাদেশে হাসপাতাল ও বিখ্যাত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ব্যবহার করুন। স্যার, এটি অত্যন্ত জরুরি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এবং সিটি কর্পোরেশনের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করা, তাদের অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা এবং সেই অর্থ জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করার দাবিটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ, বাংলাদেশে এই ধরনের দুর্নীতি দমন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে।

মারুফুর রহমান

১ মাস আগে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আপনি নিজে ড্রাইভ করতে পারেন বলেই আজ আপনি প্রকৃত চিত্র দেখতে পেয়েছেন। অন্য কেউ ড্রাইভ করলে প্রকৃত তথ্য আপনার কাছ থেকে আড়াল করার চেষ্টা করা হতো বলে আমার অভিমত। আপনার এই ধরণের উদ্যোগ প্রশংসার দাবী রাখে।
ধন্যবাদ।

SHINGRAPUR

১ মাস আগে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অনুগ্রহ করে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বোঝার চেষ্টা করুন: ১. উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। ২. ৯৯.৯৯% আদায়কারী সঠিকভাবে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করছেন না। তারা তাদের আয়ের ব্যাপারে ১০০% আন্তরিক। ৩. এনবিআর-এও একই পরিস্থিতি। দেশের সিটি কর্পোরেশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) কর আদায় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং গতিশীলতা আনা নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের জন্য জরুরি। কর ফাঁকি বা আদায়ে অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বরখাস্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। Otherwise you will not be able to do anything else SIR.

আহমদ জাফর

১ মাস আগে

ডিজিটাল "বাদশাহ্‌ হারুনুর রশীদ"

Andalib

১ মাস আগে

সবাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনেক প্রশংসা করবেন হয়তো। কিন্তু আমি বিষয়টাকে ভিন্নভাবে দেখতে চাই। ঢাকা শহরের‌ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেখতে যদি প্রধানমন্ত্রীকে শহরে ঘুরতে হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে দেশে কোন কার্যকর সরকার নেই। হাজার সমস্যার একটি দেশে প্রধানমন্ত্রী রাস্তায় নামবেন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেখতে, এটি মানানসই নয়।

মন্তব্য করুন