নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ক্রীড়া পরিষদে কলির চিঠি

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ক্রীড়া পরিষদে কলির চিঠি

ফন্ট সাইজ:

ফেডারেশনের বহিষ্কৃত যুগ্ম সম্পাদক জি এম হায়দারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে কিছুদিন আগে সাময়িক বহিষ্কার হয়েছিলেন শুটার কামরুন নাহার কলি। গত ১০ই ফেব্রুয়ারি তাকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন। ফেডারেশনের অযাচিত এই শাস্তির বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক দৌলতুজ্জামান খানের কাছে চিঠি দিয়ে প্রতিকার চাইলেন এই নারী শুটার। দীর্ঘদিন ধরে দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করে আসা শুটার কামরুন নাহার কলি বিশ্বকাপ শুটিংয়ে বাংলাদেশের একমাত্র ফাইনালিস্ট। বর্তমানে অলিম্পিক বৃত্তি পাওয়া খেলোয়াড় হিসেবেও তিনি দেশের ক্রীড়ার প্রতিনিধিত্ব করছেন। কিন্তু ঠিক এই সময়েই এক বছরের বহিষ্কারাদেশ তার ক্যারিয়ারে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের কিছু অনিয়ম, দুর্নীতি এবং কর্মকর্তা জিএম হায়দার সাজ্জাদের যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন এই শুটার। তার অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও পরিস্থিতি উল্টো দিকে মোড় নেয়। কলির দাবি, সত্য প্রকাশ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার কারণেই ফেডারেশন তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেয়। প্রথমে সাময়িক এবং পরে এক বছরের জন্য তাকে জাতীয় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়, যা তিনি সম্পূর্ণ অন্যায় ও অযৌক্তিক বলে দাবি করেছেন। সামনেই এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস এবং অলিম্পিক গেমসের কোটা অর্জনের লড়াই রয়েছে। এসব প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্পে অংশ নেয়া অত্যন্ত জরুরি। আগের দিন বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) সভায় আসেননি শুটিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌস। তাই সভা বাতিল হয়েছে। তাই এবার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে জাতীয় দলের অনুশীলনে ফেরার জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দ্বারস্ত হয়ে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন