ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের ২৬ রুটের বাসে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
সংগঠনটির দাবি, বাস মালিক সমিতির প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে রাজধানীসহ সারাদেশে সিটি সার্ভিস ও দূরপাল্লার বাসে ভাড়া নৈরাজ্য চলছে। আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান।
যাত্রী কল্যান সমিতি জানায়, এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।
তবে বাস্তবে সেই ঘোষণা উপেক্ষা করে বিভিন্ন রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। পরিবহন শ্রমিকদের বেতন ও ঈদ বোনাস কার্যকর না থাকায় অনেক চালক ও তাদের সহকারীরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে বাধ্য হচ্ছেন বলে তারা অভিযোগ করেছেন।
যাত্রী কল্যান সমিতি বলছে, ঢাকা-খুলনা রুটে ৫৪১ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১ হাজার টাকা। ঢাকা-বরিশাল রুটে ৫৯২ টাকার ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৮৫০ টাকা। একই রুটে বিআরটিসির দোতলা বাসে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৭০০ টাকা।
এছাড়া ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে ৫৭০ টাকার ভাড়া ১ হাজার টাকা, ঢাকা-শরীয়তপুর রুটে ২৩৩ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা, চট্টগ্রাম-বরগুনা রুটে ১ হাজার ১৯৭ টাকার ভাড়া ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং ঢাকা-মাদারীপুর রুটে ২৫০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া ঢাকা-গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, যশোর, শিবচর, ঝালকাঠি, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, ফেনী, কুমিল্লা, টেকেরহাট, পিরোজপুরসহ বিভিন্ন রুটেও নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায়ের অভিযোগ তুলেছে সংগঠনটি। ৫২ আসনের বাসে জালিয়াতির মাধ্যমে ৪০ আসনের ভাড়ার তালিকা টানানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে স্বল্প দূরত্বের যাত্রীদের কাছ থেকেও শেষ গন্তব্যের ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছে যাত্রী কল্যান সমিতি।
সংগঠনটির তথ্যমতে, এবারের ঈদে ঢাকা থেকে প্রায় ৯৫ লাখ যাত্রী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করছেন। এছাড়া আন্তঃজেলায় আরও প্রায় ৩ কোটি ট্রিপ যাত্রী চলাচল করতে পারে।

A H Khan
১ মাস আগেমন্ত্রী তো বলেন ভিন্ন কথা। উনিতো কখনোই অতিরিক্ত ভাড়া বা চাঁদা আদায় স্বীকার করেন না। আপনাদেরকে আরো কঠোর হতে হবে।