সালথায় হত্যা মামলায় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক গ্রেপ্তার

সালথায় হত্যা মামলায় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক গ্রেপ্তার

ফন্ট সাইজ:

ফরিদপুরের সালথায় আলোচিত একটি হত্যা মামলায় স্থানীয় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. রাজু মুন্সিকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার রাতে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রাজু উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর বাংরাইল গ্রামের মৃত আব্দুস সালাম মুন্সীর ছেলে ও সোনাপুর ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান মানবজমিনকে বলেন, রাজু আজিজুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। এই মামলায় মোট ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সালথা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, বিষয়টি জেনেছি। অফিস খোলার পর থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর ডিডি মহোদয়কে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করা হবে। যদি তিনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে থাকে, তাহলে আপাতত তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা আজিজুলের লিচু বাগান পাহারা দেয়ার জন্য তৈরি করা টংঘরে বসে নিয়মিত মাদক সেবন করতেন পার্শ্ববর্তী সোনাপুর ইউনিয়নের চরবাংরাইল গ্রামের মোশারফ মুন্সির ছেলে সাকিল মুন্সি ও তার সহযোগীরা। গত ১৩ মে বিকেলে তাদের মাদক সেবন ও লিচু চুরিতে বাঁধা দেন আজিজুলের ছেলে আকরাম মোল্যা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আকরামকে মারধর করে সাকিল ও তার সহযোগীরা। ঘটনার পর সন্ধ্যায় আজিজুল স্থানীয় ফুলবাড়িয়া বাজারে গিয়ে মাদক সেবনকারী সাকিলের কাছে তার ছেলে আকরামকে মারধরের বিষয়টি জানতে চাইলে তারা তর্কের জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে আজিজুলের উপর হামলা চালায় সাকিল ও তার সহযোগিরা।

পরে তারা আজিজুলকে মারধর করলে তিনি ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। পরে বাজারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. ফজলুল হক মোল্যা (৫০) বাদী হয়ে গত ১৫ মে সালথা থানায় ১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় রাজুকে আসামি করা হয়।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন