মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। এতে গ্রাম পর্যায়ের স্কুলগুলোতে কিছুটা শিক্ষার্থী উপস্থিতিও বেড়েছে। গত সপ্তাহে সরবরাহকৃত খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ এলে উপজেলা শিক্ষা অফিস তিনদিনের জন্য বিতরণ বন্ধ রাখে। অধিকতর তদন্ত শেষে ১৯শে মে থেকে পুনরায় খাবার বিতরণ শুরু হয়। জানা যায়, ১৫ই মে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে সরবরাহকৃত বনরুটিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের লোগোবিহীন পলি ব্যবহার এবং কিছু কলা পচা থাকার অভিযোগ ওঠে, এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ মে থেকে ১৮ই মে পর্যন্ত ৩ দিন খাবার সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে বিষয়টি তদন্ত করা হয়।
পুনরায় কার্যক্রম চালুর পর ২০ ও ২১শে মে সরজমিন দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের মাঝে ভালো মানের ও সতেজ খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। খাবারের মান সম্পর্কে কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, আগে এবং বর্তমানে যে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে তার মান ভালো ছিল। এসব খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। পাশাপাশি অভিভাবকদের কাছ থেকেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
তারা আরও বলেন, বর্তমান সরকারের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শিক্ষার মান উন্নত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, সম্প্রতি স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইসলাম এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ আসে।
তদন্তে আমরা জানতে পারি, বনরুটির মোড়কে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লোগোসম্বলিত পলির সরকারি সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি থাকায় লোগোবিহীন পলি ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, তদন্তে দেখা গেছে, অধিকাংশ জায়গায় খাবারের মান ঠিক ছিল। প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি কলার খোসায় কিছু দাগ ছিল, তবে বর্তমানে সে সমস্যাও সমাধান হয়েছে।
