সুনামগঞ্জের ছাতকে উত্তর খুরমা ইউনিয়নের আমেরতল গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন। হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা গেছে, সংঘর্ষে আহত ২৯ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৯ জনকে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি ও দু’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার সকালে গ্রামের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রামের এডভোকেট মনির উদ্দিন ও কফিল উদ্দিন পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষের ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেলের ব্যবহার করা হয়েছে।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উভয় পক্ষের মধ্যে বিগত দিনে আরও একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। থানা ও আদালতে রয়েছে উভয় পক্ষের একাধিক মামলা। মামলার আসামি কফিল উদ্দিনের ভাই ফয়সাল আহমদ দীর্ঘদিন আদালতে হাজিরা না দিয়ে পলাতক ছিলেন। ঈদ উপলক্ষে শুক্রবার বাড়িতে আসার পর প্রতিপক্ষরা তাকে ধাওয়া করেছে।
এ নিয়ে বিকালে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নিলে এলাকার গণ্যমান্যরা তাৎক্ষণিক দু’পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করেন। তবে শনিবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত গ্রামের তজন্মুল আলীর পুত্র আক্তার হোসেন (৫০), তৈয়ব আলীর পুত্র তাজুল ইসলাম (৫৫), আবুল কালামের পুত্র শাহজাহান মিয়া (৬০), মুক্তার আলী (৫৫), আরজু মিয়ার পুত্র কেনু মিয়া (৩৫), জমির উদ্দিনের পুত্র ছালেক মিয়া (২৩)সহ আহত ২৯ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ৯ জনকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ও ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পূর্ব বিরোধের জেরে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বর্তমানে গ্রামের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
