২০২৫ সালে বাংলাদেশি চিহ্নিত করে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ সোনালি খাতুন ও তার স্বামীসহ সন্তানকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়। সঙ্গে বীরভূমেরই সুইটি বিবি ও তার সন্তানদেরও বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছিল। সেখানে তাদের অবৈধ প্রবেশের দায়ে কারাগারে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। তবে দু’টি পরিবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিল। বাংলাদেশি হিসেবে পুশব্যাক করা ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় কেন্দ্রীয় সরকার।
তবে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের উদ্যোগে ও তৃণমূল সংসদ সদস্য সামিরুল ইসলামের চেষ্টায় সোনালি ও তার সন্তানকে ফিরিয়ে আনা হলেও এখনো বাংলাদেশেই রয়েছেন সোনালির স্বামী দানিশ, সুইটিসহ মোট ৪ জন। সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চে সেই মামলাটি ওঠে। সেই শুনানিতে ভারতের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ‘সরকার তাদের ফিরিয়ে আনবে। তবে নাগরিকত্ব যাচাই করা হবে। তারপর পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশে জানিয়েছে, ‘এই মামলায় কিছু অদ্ভুত বিষয় উঠে এসেছে। এটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। ভারত সরকার পুশব্যাক করা ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব যাচাই করা হবে। তারা ভারতে থাকতে পারবে কিনা, তদন্তের পর সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি ফিরিয়ে আনা হবে বীরভূমের সোনালি খাতুনের স্বামী দিনেশ শেখ ও সুইটি বিবিসহ তার সন্তানদের? তৃণমূল সংসদ সদস্য সামিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ৮-১০ দিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।
