রংপুরে তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস

রংপুরে তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস

ফন্ট সাইজ:

টানা বৃষ্টিতে রংপুর গঙ্গাচড়ার দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দিয়েছে। রংপুর নগরী থেকে লালমনিরহাট কাকিনা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়কে প্রায় ১৫ থেকে ২০টি বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এতে করে প্রতিদিন জীবন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট-বড় প্রায় ১০ হাজার যানবাহন। স্থানীয়দের শঙ্কা, দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

জানা যায়, গঙ্গাচড়ার মহিপুর তিস্তা সেতু দিয়ে রংপুর-লালমনিরহাট বুড়িমারী স্থলবন্দর রুটে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। এই রুটে চলাচালকারী বেশির ভাগ চিকিৎসা, কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নিত্য প্রয়োজনে সড়কটি ব্যবহার করে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে রংপুরে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সেতুর উভয় পার্শ্বে রংপুর ও লালমনিরহাট অংশে সড়কে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের বড় অংশ ধসে গেছে। এতে করে যানবাহন চলাচলে সড়কটিতে চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সড়কে চলাচলকারী এম্বুলেন্স চালক মফিজার রহমান বলেন, লালমনিরহাট থেকে রোগী নিয়ে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসতে এই রুট ব্যবহার করা হয়। কিন্তু পুরো সড়কের দু’পাশে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া, নদী এলাকা হওয়ায় সড়কটি সমতল থেকে অনেক উঁচু। তাই সড়কে দুর্ঘটনা ঘটলে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা দ্রুত এই সড়কটি মেরামত চাই। শংকরদহের আব্দুল জব্বার বলেন, এই রাস্তার ফাউন্ডেশনে বালু ব্যবহার করা হয়েছে। তাই টানা বৃষ্টিতে সড়কের অনেক অংশ ধসে গেছে ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এখন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করার গাড়িগুলোকে ভাঙাচোরা রাস্তা দেখে এঁকে-বেঁকে চলতে হচ্ছে। এই সড়কটি পুরোপুরি নষ্ট হলে আমাদের চরের বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল পরিবহনে সমস্যা হবে।

গঙ্গাচড়া লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, তিস্তা সেতু হয়ে রংপুর-লালমনিরহাটের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত করে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ধসে গেছে। এটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকৌশলী শাহ ওবায়দুর রহমান বলেন, সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন