এক বোতল বিয়ার আর খাবারের দামেই পকেট গড়ের মাঠ!

বিশ্বকাপ

এক বোতল বিয়ার আর খাবারের দামেই পকেট গড়ের মাঠ!

ফন্ট সাইজ:

বিশ্বকাপের ফুটবলের উন্মাদনা তুঙ্গে থাকতেই গ্যালারির ‘স্টেডিয়াম সংস্কৃতি’ নিয়ে এক পিলে চমকানো তথ্য হাজির করলো টিকিট প্ল্যাটফর্ম সিটপিক। খেলা দেখার টিকিটের চড়া দাম নিয়ে এমনিতেই ফুটবলপ্রেমীদের মাথায় হাত। তার ওপর স্টেডিয়ামের ভেতরে ঢুকে গলা ভেজাতে আর পেট ভরাতে যে খরচ হবে, তা রীতিমতো মধ্যবিত্তের পকেট কাটার জোগাড়!

গোল ডট কমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গবেষণা বলছে বিশ্বকাপের ১৬টি ভেন্যুর মধ্যে খরচের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারার লেভিস স্টেডিয়াম। সেখানে খেলা দেখতে দেখতে মাত্র একটি বিয়ার আর একটি সাধারণ মানের খাবার যেমন বার্গার বা হটডগ কিনতেই পকেট থেকে খসে যাচ্ছে ৩৪.২৪ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪,১০৮ টাকা! যুক্তরাষ্ট্রের স্টেডিয়ামগুলোর আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে সিটপিক-এর প্রধান নির্বাহী গিলাদ জিলবারম্যান বলেন, ‘সান ফ্রান্সিসকো, নিউইয়র্ক কিংবা লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো মেগাসিটিগুলোতে ম্যাচ ডে-র খরচাপাতি যে কোনো সাধারণ সমর্থকের হিসাবনিকাশ পাল্টে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।’

এ তালিকার টপ থ্রি’র বাকি দুটি নামও যুক্তরাষ্ট্রের। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এই খরচ ৩৩.২২ ডলার (প্রায় ৩,৯৮৬ টাকা) এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে ৩২.২৪ ডলার (প্রায় ৩,৮৬৯ টাকা)। সোফাই স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রুপ পর্বের ম্যাচের একটি সাধারণ টিকিটের সর্বনিম্ন দামই ঠেকেছে ৯৫৫ ডলারে (প্রায় ১,১৪,৬০০ টাকা)!

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘লুটপাট’ সংস্কৃতির ঠিক উল্টো পিঠ দেখা যাচ্ছে মেক্সিকোতে। সান্তা ক্লারার এক বেলার খরচ দিয়ে মেক্সিকোর এস্তাদিও আকরন-এ অনায়াসে তিন বেলা ভুরিভোজ করা সম্ভব। গুয়াদালাহারার এই স্টেডিয়ামে একই বিয়ার ও খাবারের কম্বো মিলছে ৯.৭৭ ডলারে (প্রায় ১,১৭২ টাকা)। অর্থাৎ, আমেরিকার চেয়ে সোয়া তিন গুণেরও বেশি সস্তা! মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আসতেকাতেও এই খরচ ১০.৭৭ ডলার (প্রায় ১,২৯২ টাকা)।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন