সিলেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন আউট হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় মেজাজ হারিয়ে শাস্তির মুখে পড়েছেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার সালমান আলী আগা। ম্যাচের সময় আইসিসি’র আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাকে অফিসিয়াল রেপ্রিম্যান্ড বা তিরস্কার করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি। সালমান আলী আগার বিরুদ্ধে আইসিসির আচরণবিধির ২.২ নম্বর ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা মূলত আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন ‘ক্রিকেটীয় সরঞ্জাম বা পোশাক, মাঠের সরঞ্জাম কিংবা বিজ্ঞাপনের বোর্ড বা আসবাবপত্রের ক্ষতিসাধন বা
অপব্যবহারের’ সঙ্গে সম্পর্কিত। পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের ৮২তম ওভারের ঘটনা।
আউট হওয়ার পর সাজঘরে (প্যাভিলিয়ন) ফেরার পথে ক্ষোভ ও হতাশায় নিজের ব্যাট দিয়ে মাঠের সীমানার পাশে থাকা একটি বিজ্ঞাপনের বোর্ডে আঘাত করেন সালমান। বিষয়টি মাঠের আম্পায়ারদের নজর এড়ায়নি। ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রো’র দেয়া এই শাস্তি সালমান আলী আগা নিজের ভুল স্বীকার করে মেনে নিয়েছেন। তিনি অপরাধ ও শাস্তি মেনে নেয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। অনফিল্ড আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো এবং আলাউদ্দিন পালেকার, তৃতীয় আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা এবং চতুর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল সালমানের বিরুদ্ধে এই লেভেল ওয়ান ভঙ্গের অভিযোগ আনেন।
এতে আনুষ্ঠানিক তিরস্কারের পাশাপাশি সালমানের শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করেছে আইসিসি। গত ২৪ মাসের মধ্যে এটি তার দ্বিতীয় অপরাধ। ফলে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্ট এখন দুইয়ে দাঁড়ালো। এর আগে চলতি বছরের ১৩ই মার্চ ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ চলাকালীন একই ধারা ভঙ্গের কারণে ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিলেন তিনি। আইসিসির লেভেল-১ স্তরের আচরণবিধি ভঙ্গের সর্বনিম্ন শাস্তি হলো আনুষ্ঠানিক তিরস্কার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা। এর পাশাপাশি অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী এক বা দুটি ডিমেরিট পয়েন্টও দেয়া হয়ে থাকে।
