চট্টগ্রাম নগরের টাইগারপাস থেকে জিইসি মোড় এলাকার সভা-সমাবেশের নিষেধাজ্ঞা জারি করা গণবিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। সোমবার সকাল ১০টার দিকে কার্যকর হওয়া ওই গণবিজ্ঞপ্তি একই দিন রাত সাড়ে ৭টায় প্রত্যাহার করা হয়। সিএমপি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে সভা-সমাবেশের নিষেধাজ্ঞা জনস্বার্থে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে, সোমবার সকালে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে ওই এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়। জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও আশপাশ এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮ এর ৩০ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী হাসান মো. শওকত আলী, পুলিশ কমিশনার, সিএমপি, চট্টগ্রাম উক্ত স্থানে যেকোনো ধরনের জনসমাবেশ ও মিছিল-মিটিং ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা করছি। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে- এমন অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখা ‘জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন’ কর্মসূচি পালন করেছে। রোববার সন্ধ্যায় নগরের টাইগারপাস এলাকায় চসিক কার্যালয়ের প্রবেশমুখের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারের পিলারে আঁকা জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে বলে এনসিপি’র নেতাকর্মীরা অভিযোগ করলেও টাইগারপাস থেকে লালখান বাজার এলাকায় ফ্লাইওভারের পিলারের গ্রাফিতি মুছে ফেলার কোনো নির্দেশনা চসিক মেয়রের পক্ষ থেকে দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার রাতে বিএনপি ও এনসিপি’র নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেন।
