আগামী মৌসুমের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগে খেলার টিকিট নিশ্চিত করলো অ্যাস্টন ভিলা। ঘরের মাঠে গতকাল রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচে লিভারপুলকে ৪-২ গোলে হারিয়ে এ যোগ্যতা অর্জন করে দলটি। এই জয়ে ৩৭ ম্যাচ শেষে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে ভিলা। অন্যদিকে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগের দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছে লিভারপুল।
ম্যাচের শুরু থেকেই ঘরের মাঠে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ভিলা। প্রথমার্ধের ৪১ মিনিটে কর্নার থেকে বুদ্ধিদীপ্ত এক চালে দলকে এগিয়ে দেন মরগান রজার্স। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় অলরেডরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেয় লিভারপুল। ৫১ মিনিটে ডমিনিক সোবোসলাইয়ের সেট-পিস থেকে লিভারপুলের হয়ে সমতা ফেরান অধিনায়ক ভারজিল ফন ডাইক। তবে সমতায় ফেরার আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি অলরেডদের। সোবোসলাইয়ের এক মারাত্মক ভুলে বল পেয়ে যান রজার্স, আর তার পাস থেকেই ভিলাকে আবারও এগিয়ে দেন ওলি ওয়াটকিনস। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ওয়াটকিনস ৭২ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩-১ করেন। এরপর ম্যাচের ৮৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ এক দূরপাল্লার শটে গোল করে ভিলার জয় নিশ্চিত করেন জন ম্যাকগিন। যোগ করা সময়ে (ইনজুরি টাইম) ফন ডাইক নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করে ব্যবধান কিছুটা কমালেও (৪-২) তা কেবল লিভারপুলের পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে, পয়েন্ট টেবিলের ভাগ্য বদলাতে পারেনি।
ম্যাচ শেষে নিজেদের রক্ষণভাগের কড়া সমালোচনা করেছেন লিভারপুল বস আর্নে স্লট। তিনি বলেন,‘আমরা নিশ্চিতভাবেই বড্ড বেশি গোল হজম করছি। গোল করতেও পারিনি। যদিও ভিলা পার্কে প্রতিপক্ষের মাঠে দুটো গোল করা মোটেও খারাপ কিছু নয়। ম্যাচের আগে কেউ আমাকে এই ব্যবধানের কথা বললে আমি ভাবতাম আমরা হয়তো ইতিবাচক কোনো ফলাফলের কাছাকাছি আছি।’ দলের সুযোগ তৈরির অভাবের কথা উল্লেখ করে স্লট বলেন, ‘আমরা যখন মাঠে ভালো খেলি, তখন গোল পেতে আমাদের সংগ্রাম করতে হয়, কারণ আমরা পর্যাপ্ত বড় সুযোগ তৈরি করতে পারছি না। আবার যখনই আমরা একটু ছিটকে যাই বা প্রতিপক্ষ ভালো খেলে, তখনই আমরা খুব সহজে গোল হজম করে বসছি।’
চ্যাম্পিয়নস লীগের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প নেই লিভারপুলের।
