তাহিরপুরে শিক্ষিকাকে কুপ্রস্তাব তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন

তাহিরপুরে শিক্ষিকাকে কুপ্রস্তাব তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন

ফন্ট সাইজ:

গত বৃহস্পতিবার দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় প্রকাশিত ‘তাহিরপুরে শিক্ষিকাকে শিক্ষা অফিসারের কুপ্রস্তাব’- শিরোনামের সংবাদটি তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের নজরে এসেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, তাহিরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কেএম মাহফুজুর রহমান ও উপজেলা সমবায় বিষয়ক কর্মকর্তা আশিষ আচার্য। আগামী ৫ই কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ঘটনাটির সুষ্ঠু বিচার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ শিক্ষক সমাজ ও স্থানীয় মহলে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

শিক্ষক মিজানুর রহমান ডালিম বলেন, আমি বাজে মন্তব্যকে কখনও সমর্থন করি না। তবে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সঠিক ভাবে নিষ্পত্তি করার জন্য ঊর্ধ্বতন মহলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। স্বাস্থ্যকর্মী মো. মাইনুউদ্দিন বলেন, কিছু মন্তব্যের বিপরীতে বারবার শুধু এটাই ভাবছি একজন সহকারী শিক্ষিকার কী এমন দায় পড়েছে যে, তিনি নিজের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মানহানিকর অভিযোগ করবেন? নিশ্চয়ই এর কোনো কারণ আছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আশা করি যথাযথ কর্তৃপক্ষ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক বলেন, দৈনিক মানবজমিন-এ প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষিকার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এক সহকারী শিক্ষিকাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুপ্রস্তাব দেওয়া এবং বিভিন্ন পেশাগত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ ওঠে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সোলেমান মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৯ই মে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষক সমাজ ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন