তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ তৈরির লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয়েছে ‘১ম প্যারা স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬’। ন্যাশনাল প্যারা অলিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশ (এনপিসি বাংলাদেশ) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড উইংয়ের যৌথ উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে অংশ নিয়েছেন সারা দেশের ৫০০-এর বেশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অ্যাথলেট ও ক্রিকেটার। এই কার্নিভালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ খেলোয়াড় ও সংগঠকদের কল্যাণে ব্যয় করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন,‘খেলোয়াড়রা ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে। খেলাধুলার মাধ্যমেই সমাজের সব অসংগতি দূর করা সম্ভব।’
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের অসাধারণ নৈপুণ্য দেখে প্রতিমন্ত্রী তাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানে অনুষ্ঠব্য এশিয়ান প্যারা গেমসের মতো বড় আসরে অংশ নিতে অ্যাথলেটদের যা যা প্রয়োজন, আবেদন পাওয়ামাত্রই সরকার তা নিশ্চিত করবে।’ কার্নিভালের মূল উদ্দেশ্য ২০২৬ সালে জাপানের আইচি-নাগোয়াতে অনুষ্ঠব্য ‘এশিয়ান প্যারা গেমস’ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্য খেলোয়াড় নির্বাচন করা। বাছাইকৃত এই খেলোয়াড়দের নিবিড় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বমানের হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
বিসিবির ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড উইংয়ের অধীনে ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট, হুইলচেয়ার ক্রিকেট এবং ব্লাইন্ড ক্রিকেট-এই তিন বিভাগ থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটার বাছাই করে একটি শক্তিশালী জাতীয় দল গঠন করা হবে। ইতিমধ্যেই বিসিবি ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেটের জন্য ৯১ জন এবং হুইলচেয়ার ক্রিকেটের জন্য ৩৫ জন খেলোয়াড়কে মনোনীত করেছে। এ ছাড়া ব্লাইন্ড ক্রিকেট বিভাগটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে সব আগ্রহী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্য।
