মানিকগঞ্জে আলোচনায় ১ হাজার কেজির হামাস

মানিকগঞ্জে আলোচনায় ১ হাজার কেজির হামাস

ফন্ট সাইজ:

এবার কোরবানির ঈদে মানিকগঞ্জে আলোচনায় উঠে এসেছে হামাস। এক হাজার কেজি ওজনের গরু হামাসকে দেখতে মানুষজন দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিনই ছুটে আসছেন ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকার মো. সানোয়ার হোসেনের বাড়িতে।

পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শৌখিন ক্রেতারাও আসতে শুরু করেছে। সরজমিন সানোয়ার হোসেনের বাড়ি গিয়ে দেখা গেল, ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতা এবং ৯ ফুট লম্বা গরুটিকে পরিচর্যা করছেন সানোয়ার হোসেন এবং তার বাবা শেখ সোনাম উদ্দিন। গরুটির খাবার হিসেবে রয়েছে- ভুসি, ছোলা ও বিভিন্ন প্রজাতির ডালের খোসা, কাঁচা ঘাস, সাইলেস, খড়। সানোয়ার বলেন, শখের গরুটির নাম হামাস। দীর্ঘদিন আমি পরম মমতা দিয়ে লালন-পালন করে যাচ্ছি। কোনোরকম ভেজাল খাদ্য হামাসকে খাওয়াইনি। প্রতিদিন ওর খাবার বাবদ প্রায় হাজার টাকা চলে যায়। আড়াই বছর বয়সের হামাসের ওজন হয়েছে এক হাজার কেজি অর্থাৎ এক টন।

আশা করছি, এবারের কোরবানির ঈদে বিক্রি হয়ে যাবে। গরুটির নাম হামাস কেন রাখা হয়েছে- এ সম্পর্কে সানোয়ার হোসেন বলেন, আমরা মুসলমান জাতি। ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামাসের যোদ্ধারা যেভাবে দেশপ্রেম দেখিয়ে যাচ্ছেন এবং শহীদ হচ্ছেন, এতে আমি একজন মুসলমান হিসেবে গর্বিত। আমার গরু হামাস যোদ্ধার মতোই সাহসী ও শক্তিশালী। তাই ওর নাম দিয়েছি হামাস। সানোয়ার হোসেনের বৃদ্ধ পিতা বলেন, আমার সন্তান গরুটিকে পরম মমতা দিয়ে লালন-পালন করে বড় করেছে। বিক্রি হয়ে গেলে খুব কষ্ট হবে কিন্তু কিছুই করার নেই। মূলত কোরবানির ঈদের বিক্রির জন্য দীর্ঘদিন ধরে ওকে প্রস্তুত করা হয়েছে।


ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন