সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তিনটি বিদ্যালয়ের ১২ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল আকস্মিকভাবে উপজেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষকদের অনুপস্থিতি এবং একটি বিদ্যালয় তালাবদ্ধ দেখতে পান। জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে তিনি আবিদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুগনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কায়েতকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।
এ সময় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকসহ মোট ১২ জনকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। পরে সংসদ সদস্য বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। অনুপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন আবিদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দ্বীপা রানী তালুকদার, জেসমিন আক্তার, রাজীব চন্দ্র রায় ও রুবেল তালুকদার, দুগনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনি রানী রায়, শারমিন আক্তার, মানিক সরকার ও রনবীর সরকার, কায়েতকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমা স্যানাল, সঞ্জয় কুমার পাল, জলি রানী সরকার ও স্মৃতি দে। মধ্যনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর অভিযুক্ত ১২ জন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। বিভাগীয় বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, হাওরাঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। শিক্ষকদের সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অনুপস্থিতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক। এ ধরনের অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে আহ্বান জানান।

sajjad
২ মাস আগেIf the MP identifies latecomers, what are the responsibilities of the Local Education Officer in this matter?