মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৪টি কোয়ারি থেকে অবাধে অবৈধভাবে সিলিকা বালু বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ এই চারটি বালুমহাল ইজারা দিলে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করতে পারতো। অবশ্য এই ৪টি মহালের মধ্যে ২টিতে আদালতে মামলা রয়েছে। সিলিকা বালুর কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা মঙ্গলবার কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুল ইসলাম, বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) সহকারী পরিচালক (ভূ-পদার্থ) মো. মাসুক-উন-নবী, কনসালটেন্ট মিজানুর রহমান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু মাসুদ, প্রেস ক্লাব কুলাউড়া’র সভাপতি আজিজুল ইসলাম, বরমচাল ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম খান সুইট, হাজীপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূর আহমদ চৌধুরী বুলবুল, ভাটেরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম পাখি, ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, সাংবাদিক নাজমুল বারী সোহেল প্রমুখ। সভায় তথ্যচিত্র প্রদর্শন করেন প্রকল্পের কনসালটেন্ট ফাহিম উদ্দিন।
সভায় জানানো হয়, মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৫২টি সিলিকা বালুর কোয়ারি রয়েছে। তন্মধ্যে কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে দেওছড়া, বোবাছড়া, ঘাগড়াছড়া ও বড়ছড়া কোয়ারি অন্যতম। কোয়ারিগুলো বন্ধ থাকায় রাতের আঁধারে বালু পাচার হচ্ছে। এতে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। সরকারি নীতিমালা ও পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনা করে কোয়ারিগুলো দ্রুত ইজারা দিতে এলাকাবাসী একমত প্রকাশ করেন।
