নেত্রকোণার মদনে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিনদিনের রিমান্ড শেষে প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার বেলা সোয়া ২টার দিকে নেত্রকোণার মদন আমলি আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম এ আদেশ প্রদান করেন। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আসামির ডিএনএ সিআইডির মাধ্যমে সংরক্ষণেরও নির্দেশ দেন বিচারক। অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার হযরত ফাতেমাতুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মদন থানার এসআই আক্তারুজ্জামান আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
গত ২৩শে এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে মামলা করার পর ৫ই মে দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাব-১৪ তাকে গ্রেপ্তার করে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে শিশুটি বর্তমানে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গ্রেপ্তারের পর গত ৭ই মে আদালত আসামির তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। রোববার রিমান্ডের নির্ধারিত সময় শেষে তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হয়।
আদালতের জিআরও সোহ্রাওয়ার্দী জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মদন থানার এসআই আক্তারুজ্জামান তিনদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে আসামিকে সোপর্দ করেন। তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে কারাগারে আটক রাখা এবং আসামির ডিএনএ সিআইডি’র মাধ্যমে সংরক্ষণের জন্য আবেদন করেন। আদালতের বিচারক তা মঞ্জুর করেন বলে তিনি জানান।
