লম্বা সময় ব্যাট করতে চায় পাকিস্তান

লম্বা সময় ব্যাট করতে চায় পাকিস্তান

ফন্ট সাইজ:

মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ভালো অবস্থানে সফরকারী পাকিস্তান। গতকাল বাংলাদেশকে ৪১৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে দিন শেষ করে সফরকারীরা। আজ লম্বা সময় ব্যাট করতে চায় পাকিস্তান দল। দ্বিতীয় দিন শেষে দলের পরিকল্পনা জানিয়ে পাকিস্তানি ওপেনার ইমাম-উল-হক বলেন, ‘আমার মনে হয় তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটিং করা কিছুটা কঠিন হবে। তাই এই ইনিংসটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা আমাদের ব্যাটিংকে অনেক দীর্ঘ ও গভীর করতে চাই। আমরা এখনই কোনো নির্দিষ্ট স্কোরের কথা ভাবছি না, তবে আগামীকাল আমরা যতটা সম্ভব ব্যাটিং করতে চাই।’

এই টেস্টের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হতে পারে আজ। সেটা মনে করিয়ে দেন ইমাম, ‘আগামীকাল (আজ) একটি ‘মুভিং ডে’ এবং আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন হতে যাচ্ছে। আমরা যদি সারাদিন ব্যাট করতে পারি, তবে ম্যাচে এগিয়ে থাকবো। তবে তারা (বাংলাদেশ) কাল কঠোরভাবে ফিরে আসার চেষ্টা করবে। উইকেটে পরিবর্তন আসবে কারণ ছোট ছোট ফাটলগুলো এখন খুলতে শুরু করবে। খুব ধৈর্য ধরতে হবে। যদি আমরা প্রথম এক ঘণ্টা ভালো খেলি, তবে আমি মনে করি আমরা অবশ্যই এই টেস্ট ম্যাচে খুব ভালোভাবে ফিরে আসবো।’

বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামানো মোহাম্মদ আব্বাসের প্রশংসা করে ইমাম বলেন, ‘আপনার গতি কতটা কম সেটি কোনো বিষয় নয়। যখন কন্ডিশন অনুকূলে থাকে এবং আপনি জানেন যে ল্যাটারাল মুভমেন্ট পাওয়া যাবে, আব্বাস তখন খুব ভালো বল করে। সত্যি বলতে, ওদের জুটি (মুশফিক-লিটন) ভালোই যাচ্ছিল কিন্তু আজ যখন আমরা ১০০ রানের ভেতর সবকটি উইকেট তুলে নিলাম, তখন আব্বাস দারুণ ভূমিকা রেখেছে। আব্বাসের শক্তি হলো সে আপনাকে রান করতে দেবে না। এটাই তার শক্তি যে সে একজন ব্যাটসম্যানকে বারবার প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।’

অভিষিক্ত আজানের প্রশংসা করতে গিয়ে ইমাম বলেন, ‘নাহিদ রানা বেশ দ্রুত বল করছিল এবং একটি বল ওর (আজান) মাথায় লাগে। কিন্তু এরপর ও যেভাবে ফিরে এসেছে তা অসাধারণ। এটি তখনই সম্ভব যখন আপনি ঘরোয়া ক্রিকেটের কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে আসেন।’ আধুনিক ক্রিকেটে টেস্ট খেলার ধরন বদলে গেছে জানিয়ে বাহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমি মনে করি সব বল হজম করে খেলাটা বেশ পুরনো টেস্ট ক্রিকেটীয় স্টাইল। এখন পুরো পৃথিবীতেই দেখবেন, ১০০ রান করতে ১৪০ থেকে ১৫০ বল লাগে। আপনি কোথায় খেলছেন সেটা কোনো বিষয় নয়। আমাদের স্রেফ একটি সাধারণ তত্ত্ব ছিল-আমরা বল দেখছিলাম এবং স্কোরিং জোনে বল পেলেই বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করছিলাম।’

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন