যাতায়াত ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শনিবার সকালে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ইপিজেডের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে কয়েক ঘণ্টার জন্য ইপিজেডের ভেতরে সবধরনের প্রবেশ ও কাজ বন্ধ থাকে। জানা গেছে, সম্প্রতি শ্রমিকদের যাতায়াত ভাড়া হঠাৎ বাড়ানো হলে তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। ভাড়া কমানোসহ বিভিন্ন দাবিতে সকাল থেকে শ্রমিকরা প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা গেটে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে ভেতরে ও বাইরে পণ্যবাহী যানবাহনসহ কর্মীদের চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফটকের বাইরে অবস্থান নেন কয়েক হাজার শ্রমিক।
খবর পেয়ে বেপজা কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত সেখানে পৌঁছান। পরে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বেপজা কর্তৃপক্ষের একটি জরুরি বৈঠক হয়। আলোচনায় শ্রমিকদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেয় কর্তৃপক্ষ। ঈশ্বরদী ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক এ বি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের কিছু দাবি ও ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সাময়িক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তাদের দাবিগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং উৎপাদন কার্যক্রম যথারীতি চলছে।
মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে দেলোয়ার হোসেন দেলা (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৭-৮ জন। আহতদের মধ্যে নাছির মেম্বার ও তার শ্যালক হালিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। গতকাল দিবাগত রাত ১টার দিকে নাছির গ্রুপ ও বাতেন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে নাছির গ্রুপ ও বাতেন গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গভীর রাতে দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন দেলোয়ার হোসেন দেলা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নাছির মেম্বারের পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা মানবজমিনকে জানান, শুধু রাস্তার কাজ নয়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরেও এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মেঘনা থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
