মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৪১৩ রান। এই রানের জবাবে ১ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। সফরকারী দল পিছিয়ে ২৩৪ রানে। ওপেনিংয়ে শতরানের জুটি গড়েছেন পাকিস্তানি দুই ওপেনার আজান আওয়াইস আর ইমাম উল হক। দলীয় ১০৬ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে ব্যক্তিগত ৪৫ রানে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন ইমাম। এরপর দিনের বাকি ২৪ ওভার কাটিয়ে দেন দুই অভিষিক্ত ব্যাটার আজান আওয়াইস আর আবদুল্লাহ ফজল। আজান ৮৫ আর ফজল ৩৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে খেলতে নামবেন।
এর আগে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম দশ ওভার মুশফিকুর রহিম আর লিটন দাস দেখেশুনে কাটিয়ে দেন। কিন্তু বাংলাদেশের বোর্ডে ৩৩৮ রান উঠতেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে ফেরেন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ৩৩ রানে অফস্টাম্পের বেশ বাইরের বল টেনে মারতে গিয়ে মিড অনে ধরা পড়েন তিনি। আব্বাসের তৃতীয় শিকার হন মেহেদী হাসান মিরাজ (১০)। অফস্টাম্পের বাইরের বল পয়েন্ট দিয়ে বের করে দিতে চেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু আটকা পড়েন ইমাম-উল-হকের হাতে। তার বিদায়ে ৩৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলামও মুশফিককে সঙ্গ দিতে পারেননি। আব্বাসের বাউন্সি ডেলিভারিতে চোখ বুজে ব্যাট চালিয়েছিলেন। বল চলে যায় উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। ২৩ বলে ১৭ করেন তাইজুল। ৭ উইকেটে ৩৮০ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতির পর তৃতীয় বলেই সাজঘরের পথ ধরেন ৩৯তম জন্মদিনে ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি তুলে নেওয়া মুশফিক। শাহিন শাহ আফ্রিদির দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। ১৭৯ বলে তার ধৈর্যশীল ৭১ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি বাউন্ডারির মার। এবাদত হোসেন রানের খাতা খুলতে পারেননি। তাকে শূন্য রানে ফিরিয়ে নিজের ৫ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ আব্বাস। ৩৮৪ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর তাসকিন আহমেদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৪০০ পেরোয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম ইনিংসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। পাকিস্তানের মোহাম্মদ আব্বাস ৫ আর শাহিন আফ্রিদি নেন ৩ উইকেট।
